নিউজ ডেস্ক : জঙ্গলের আশেপাশে যেন আচমকাই বদলে গেল পরিস্থিতি। চেনা পরিবেশেই দেখা দিল অস্বস্তির ছায়া। লোকালয়ের কাছাকাছি কোনও বন্য প্রাণীর উপস্থিতি রয়েছে কি না, তা নিয়ে শুরু হয় জল্পনা। বিশেষ করে জঙ্গল লাগোয়া এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে বাড়তে থাকে উদ্বেগ। কখন কি ঘটে যায়, সেই আশঙ্কাতেই নজর রাখতে শুরু করেন অনেকেই।
ঘটনাটি সোনারী ১০৪ নম্বর বুথের শেষ সীমান্ত সংলগ্ন সিদ্ধেশ্বরী এলাকার। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই এলাকার জঙ্গলে একটি বাইসনকে দেখতে পাওয়া গিয়েছে। জঙ্গলে বাইসনের উপস্থিতির খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়। জঙ্গল সংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারী মানুষজন বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তাঁদের আশঙ্কা বাইসনটি যদি জঙ্গল ছেড়ে লোকালয়ের দিকে চলে আসে, তাহলে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
বন্যপ্রাণীর সাধারণ বিচরণ ক্ষেত্রের কাছাকাছি বসবাস করার কারণে জঙ্গল লাগোয়া এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে এমন আশঙ্কা নতুন নয়। তবে, আচমকা বাইসনের উপস্থিতি তাঁদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। কখনও জঙ্গলের ভিতরে, কখনও লোকালয়ের আশেপাশে বন্যপ্রাণীর আনাগোনা দেখা গেলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এই পরিস্থিতিতে বাইসনের গতিবিধি কোন দিকে, তা বোঝার চেষ্টা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
ঘটনার খবর পেয়ে ইতিমধ্যে এলাকায় পৌঁছেছেন বন দফতরের কর্মীরা। তাঁরা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখার পাশাপাশি বাইসনটির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছেন। বন্যপ্রাণীটি যাতে লোকালয়ের দিকে চলে এসে মানুষের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে না পড়ে সে বিষয়ে সতর্ক রয়েছে বন দফতর। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা চলছে।
বন দফতরের তৎপরতার মধ্যেই আপাতত বাইসনটির গতিবিধির দিকে নজর রাখছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে, প্রাণীটি ঠিক কোন দিকে যাচ্ছে কিংবা শেষ পর্যন্ত জঙ্গলের ভিতরে ফিরে যাবে কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বাসিন্দাদের সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি। বাইসানকে দেখতে জঙ্গলের ভিতরে প্রবেশ করা, তার কাছে যাওয়া কিংবা উত্ত্যক্ত করা বিপদের কারণ হতে পারে। বন্যপ্রাণীটির দেখা মিললে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে বন দফতরকে খবর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এখন সকলের নজর, কিভাবে পরিস্থিতি সামাল দিয়ে মানুষ ও বন্যপ্রাণী উভয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।




