নিউজ ডেস্ক: এবার চর্চায় ককরোচ জনতা পার্টির সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস, নয় বছর আগে মডেলিংয়ের কাজের জন্য ফ্লিপকার্টের কাছে আবেদন! আজ সেই পুরনো পোস্ট ঘিরেই নতুন করে শুরু হয়েছে জল্পনা। তাঁর ২০১৭ সালের একটি পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে আর তা সামনে আসতেই শুরু হয়েছে আলোচনা, সমালোচনা, এমনকি ট্রোলিংও।
২০১৭ সালের ২২ মে। তখন সৌরভ দাসের বয়স মাত্র ১৮ বছর। কেরিয়ারের শুরুতে মডেলিংয়ের জগতে নিজের জায়গা তৈরি করতে চেয়েছিলেন তিনি। সেই লক্ষ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে যোগাযোগ করেছিলেন একাধিক অনলাইন শপিং সংস্থার সঙ্গে। কীভাবে সংস্থার বিভিন্ন পণ্যের মডেল হওয়া যায় তিনি জানতে চেয়েছিলেন ফ্লিপকার্ট এবং তার কাস্টমার সাপোর্ট অ্যাকাউন্টকে ট্যাগ করে এবং পোস্টে সাহায্য চেয়ে ধন্যবাদও জানিয়েছিলেন তিনি।
আর শুধু ফ্লিপকার্ট নয়, ওই একই রাতে স্ন্যাপডিল-সহ আরও কয়েকটি সংস্থার কাছেও মডেলিংয়ের সুযোগ চেয়ে আবেদন করেছিলেন সৌরভ। সম্প্রতি সেই পুরনো পোস্টের স্ক্রিনশট ফের ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর তারপর থেকেই নেটপাড়ায় শুরু হয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া। কেউ তাঁর পুরনো পোস্ট নিয়ে কটাক্ষ করছেন, আবার কেউ প্রশ্ন তুলছেন, কেন এত বছর আগের একটি কর্মসংস্থানের আবেদন নিয়ে কাউকে বিদ্রূপ করা হবে?
তবে সৌরভের এই পুরনো পোস্ট সামনে আসার পাশাপাশি উঠে আসছে তাঁর কেরিয়ারের বদলে যাওয়া পথের কথাও। মডেলিংয়ের চেষ্টা থেকে পরে আইনি সাংবাদিকতায় কাজ করেছেন তিনি। সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট এবং বিচারব্যবস্থা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে লেখালেখিও করেছেন। পরে ককরোচ জনতা পার্টির সঙ্গে যুক্ত হয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন বিষয়ে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন সৌরভ দাস।
একসময় মডেলিংয়ের কাজ খুঁজতে যে তরুণ অনলাইন সংস্থাগুলির দরজায় কড়া নেড়েছিলেন, সময়ের সঙ্গে তাঁর পেশাগত পরিচয় বদলেছে অনেকটাই। আর সেই পুরনো অধ্যায়ই এখন নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে। তবে একটা বিষয় কাজের সুযোগ চাওয়া বা নিজের পেশা বেছে নেওয়ার চেষ্টা কোনও লজ্জার বিষয় নয়। পুরনো পোস্ট নিয়ে চর্চা হতে পারে, কিন্তু সেই চর্চা যেন ব্যক্তিগত অপমান বা অযথা ট্রোলিংয়ে পরিণত না হয়। এই বিতর্কে সৌরভ দাসের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া এসেছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।




