ক্যানিং,অঙ্কন দাস: বৃহঃষ্পতিবার ভোর রাত। ঘুমও ভাঙেনি সবার ঠিকমতো। সেইসময় ঘটল বিপর্যয়! ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ভষ্মীভূত হয়ে গেল একটি চায়ের দোকান। ঘটনার খবর পেয়ে চেতে গেল দমকলের দুটি ইঞ্জিন। ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন দমকলকর্মীরা। তবে,ওই দোকানটি পুড়ে ভষ্মীভূত হয়ে যায়। ঘটনাটি ঘটে ক্যানিংয়ের রায়বাঘিনী মোড়ে। সূত্রের মারফত জানা গিয়েছে,ক্যানিংয়ের দিঘীরপাড় পঞ্চায়েতের বাসিন্দা সত্যজিৎ চক্রবর্তী(ছোট বাপি)। সত্যজিতের দরিদ্র পরিবার। স্থানীয় রায়বাঘিনী মোড়ে তাঁর একটি চায়ের দোকান রয়েছে। চায়ের দোকানের উপর নির্ভর করেই চলে সংসার নির্বাহ।
জানা যাচ্ছে, অন্যান্য দিনের মতো বুধবার রাত প্রায় বারোটার সময় দোকান বন্ধ করে বাড়ি গিয়েছিলেন সত্যজিৎ। ভোর তিনটে নাগাদ তারকাছে ফোন আসে। ফোন মারফত তিনি জানতে পারেন দোকানে আগুন লেগেছে। দোকান ঘর দাউ দাউ করে জ্বলছে।খবর পাওয়ামাত্রই দোকানে পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। তবে, এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর নেই। কিন্তু, ঠিক কী ভাবে, এই লাগল টানিয়ে ধন্দ্ব রয়েছে।
এই সময় স্থানীয় লোকজন ছুটে আসে। তারা আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগায়। তবে প্রচুর চেষ্টা করলেও আগুনের লেলিহান শিখার কাছে হার মানে সকলে। খবর যায় দমকলের কাছে। দ্রুততার সাথে দমকলের দুটি ইঞ্জিন ছুটে আসে। দমকল কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। প্রায় আধঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কিন্তু, ততক্ষণে সমস্ত কিছুই পুড়ে ছাই! দোকান পুড়ে যাওয়ার শোকে, সর্বস্ব হারিয়ে অসুস্থ হয়েছেন দোকান মালিক। এই মুহুর্তে সত্যজিৎ চক্রবর্তী হাসপাতালে ভর্তি।
প্রসঙ্গত বলা যায়, ১৭ই ,১৮ই এবং ১৯শে অগাস্ট- সারা রাজ্য জুড়ে অগ্নিকাণ্ড চলেছে। প্রথমে তারাপীঠ, এরপর দমদম, তারপর মির্জা গালিব স্ট্রিট- রাজ্য যেন ক্রমেই জতুগৃহ হয়ে উঠেছে! ক্যানিং-র এই চায়ের দোকানে আগুন লেগে যাওয়া সেই তালিকায় ‘নতুন সংযোজন।’