হ্যাকারদের হাত থেকে বাঁচতে ১৫ দিন অন্তর এই কাজ করে থাকেন নাগার্জুন। সাইবার সংক্রান্ত একটি অনুষ্ঠান থেকে সকলকে এই কাজ করার পরামর্শ দেন তিনি।জানেন কোন কাজ ?
পৃথিবী এখন হাতের মুঠোয়। আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত বিভিন্ন তথ্য এখন বন্দী আমাদের স্মার্টফোনে। এতে যেমন একদিকে কম সময়ে আমরা সেরে ফেলতে পারছি যে কোন কাজ ঠিক অন্যদিকে তেমনই মাঝে মাঝে অসাধারণতা ডেকে আনছে বিপদও। আবার কখনো কখনো সতর্ক থাকলেও নানান কৌশলে ফাইবার ওপরে ঢুকে পড়ছে আমাদের স্মার্টফোনে মাধ্যমে ব্যক্তিগত জীবনে। বর্তমানে সাইবার প্রতারণার কবলে পড়ে বহু টাকা হারিয়েছেন অনেকে। আবার অনেকের ব্যক্তিগত তথ্য হয়েছে ফাঁস। কিন্তু এসব থেকে বাঁচার এক মাস্টার প্ল্যান দিলেন তেলুগু সিনেমার সুপারস্টার নাগার্জুন। জানেন কী সেই কাজ ?
প্রায় সবসময়ই স্মার্টফোন হ্যাক হওয়া এবং ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়ার ভয়ে থাকেন সুপারস্টার নাগার্জুন।সম্প্রতি হায়দ্রাবাদে ‘তেলেঙ্গানা সাইবার সিকিউরিটি ব্যুরো আয়োজিত ‘সুরক্ষা কা তিরঙ্গা’ সাইবার সচেতনতামূলক এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এই মারাত্মক আশঙ্কার কথা প্রকাশ করেন তিনি। আর এর থেকে বাঁচতে তিনি যে কৌশল অবলম্বন করেন তার সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন এদিন। পাশাপাশি সাইবার প্রতারণার নিয়ে নিজের কিছু অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন তিনি।
তিনি জানান, প্রায় ৪-৫ বছর আগে ব্যাংকের আধিকারিক পরিচয়ে এক ব্যক্তি আমায় ফোন করে শেয়ার বাজারে টাকা খাটাতে বলে। সাধারণত আমার ব্যাংক থেকে রিলেশনশিপ ম্যানেজারই ফোন করেন, কিন্তু সেদিন অন্য একজন ফোন করেছিল। সে এতটাই গুছিয়ে কথা বলছিল যে আমায় প্রায় রাজিই করিয়ে ফেলেছিল। কিন্তু যখন আমি রাজি হলাম না, তখন সে আমায় চালাক বলে ক্ষান্ত দেয়।এখানেই শেষ নয়, ভুয়ো ‘কাস্টমস’ কল এবং ডিজিটাল অ্যারেস্ট সংক্রান্ত জালিয়াতির কথা উল্লেখ করে তিনি।
আর এসবের মাধ্যমে সাইবার প্রতারণা হাত থেকে বাঁচতে প্রতি ১৫ দিন অন্তর স্মার্টফোনের পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করি এবং ওয়াইফাই-এর পাসওয়ার্ডও চেঞ্জ করি। যাতে কোন ভাবে তারা আমার পাসওয়ার্ড হ্যাক করতে না পারে।