স্পোর্টস ডেস্ক: আইপিএল ২০২৭-এর আগে হার্দিক পান্ডিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়কত্ব ছাড়তে পারেন তিনি? দলই বা তাঁকে ছেড়ে দিতে পারে কি না, তা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। এর মধ্যেই হার্দিকের পাশে দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন চেন্নাই সুপার কিংসের প্রাক্তন ক্রিকেটার আম্বাতি রায়ডু। তাঁর মতে, রোহিত শর্মার কাছ থেকে অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর সমালোচনার মুখে পড়ে মুম্বইয়ে কার্যত কোণঠাসা হয়ে গিয়েছিলেন হার্দিক।
এক ক্রিকেট আলোচনায় রায়ডু বলেন, মুম্বইয়ে হার্দিকের মনে হয়েছিল তাঁকে সব দিক থেকে চাপে রাখা হচ্ছে। আর কোনও ক্রিকেটার একবার কোণঠাসা বোধ করতে শুরু করলে তাঁর মধ্যে সব সময় অনিশ্চয়তা কাজ করে। সাজঘরের পরিবেশেও তার প্রভাব পড়ে। তখন এমন কিছু আচরণ বেরিয়ে আসতে পারে, যা সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটার নিজেও করতে চান না। হার্দিকের ক্ষেত্রে অনেক কিছুই তাঁর পক্ষে যায়নি। এর জন্য তাঁর নিজের কিছু দায় থাকতে পারে, আবার পরিস্থিতিরও ভূমিকা থাকতে পারে বলে মনে করেন রায়ডু।
২০২৪ সালের আইপিএলের আগে রোহিত শর্মার পরিবর্তে হার্দিককে মুম্বইয়ের অধিনায়ক করা হয়। সেই সিদ্ধান্তের পর থেকেই সমর্থকদের একাংশের বিরোধিতার মুখে পড়তে হয় তাঁকে। মাঠের পারফরম্যান্স এবং দলের ধারাবাহিকতার অভাবও সেই সমালোচনাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। রায়ডুর পরামর্শ, মুম্বইয়ে থাকতে চাইলে হার্দিকের অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়াই উচিত। নিজের খেলায় মন দিয়ে দলের ম্যাচ জেতানোয় মনোযোগী হওয়া দরকার তাঁর। আর দল ছাড়লেও অন্তত এক মরশুম নতুন কোনও দলের অধিনায়কত্ব না নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন রায়ডু।
হার্দিককে নিয়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও পাঞ্জাব কিংসের মধ্যে সম্ভাব্য ক্রিকেটার অদলবদলের আলোচনা চলছে বলে খবর। শোনা যাচ্ছে, হার্দিককে পেতে আগ্রহী পাঞ্জাব। অন্য দিকে, বোলিং বিভাগ শক্তিশালী করতে অর্শদীপ সিংকে দলে নেওয়ার কথা ভাবছে মুম্বই। রায়ডুর মতে, পাঞ্জাব কিংবা চেন্নাই সুপার কিংস—এই দুই দলের কোনও একটিতে গেলে হার্দিক নিজের ক্রিকেটের জন্য ভাল পরিবেশ পেতে পারেন। তবে কলকাতা নাইট রাইডার্সে গেলে তাঁকে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নেওয়ার আগে অনেক কিছু ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কারণ, এই মুহূর্তে কলকাতার মতো দলকে নেতৃত্ব দেওয়া সহজ কাজ নয়।




