হাড়হিম ঘটনা! প্রৌঢ়াকে ধর্ষণের পর গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে খুনের চেষ্টার অভিযোগ। ওই অবস্থাতেই পুলিশের দ্বারস্থ হন নির্যাতিতা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে বেলিয়াবেড়া থানার পুলিশ। ইতিমধ্যে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেলিয়াবেড়া থানার এক গ্রামের পঞ্চাশোর্ধ্ব ওই প্রৌঢ়া ওড়িশার একটি বাড়িতে রাঁধুনির কাজ করেন। বাড়িতে তাঁর দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। কাজের সূত্রে বছরের বেশির ভাগ সময় ওড়িশায় থাকলেও মাঝেমধ্যেই তিনি নিজের গ্রামে ফিরে আসেন।ঘটনার দিনও নিজের বাড়ি ঘুরে ফের মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে যাওয়ার পথে তিনি বিপদে পড়েন বলে খবর।
অভিযোগ,রৌণক পাণ্ডা নামে এক বাসিন্দা একটি চারচাকা গাড়ি নিয়ে একই পথে যাচ্ছিল। গ্রামের ছেলে হওয়ায় তাঁকে বিশ্বাস করে গাড়িতে ওঠেন ওই মহিলা। অভিযোগ, গাড়িতে তাঁকে পানীয় জলের সঙ্গে কিছু মিশিয়ে খাওয়ানো হয়। এরপর অচৈতন্য অবস্থায় তাঁকে বাহারুনার জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।
শুধু তাই নয়, প্রমাণ মুছে ফেলতে তাঁর গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বর্তমানে ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি রয়েছেন ওই প্রৌঢ়া। ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলা হলে বিচারক জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।




