JAZZBAAT 24 BANGLA
৩০ সেপ্টে ২০২৬, ০৭:০৭ পিএম
Breaking
Student protest: মালদা কলেজে উত্তেজনা , মোতায়েন পুলিশ-সেন্ট্রাল ফোর্স Fishcatching: বন্যায় জলমগ্ন রাস্তায় জাল ফেলে মাছ ধরছেন বাসিন্দা, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে কৌতূহ... Asian Games 2026: এ বার লড়াই সোনার, কোরিয়াকে উড়িয়ে হকির ফাইনালে ভারতের মেয়েরা Airport: টেকঅফের আগেই বিমানের চাকায় আগুন, জরুরি স্লাইডে উদ্ধার ১৭৩ যাত্রী Women Football : পা ভেঙেও থামেনি, জাতীয় মঞ্চে সুদীপ্তার গোল Skin Care: শুধু ত্বকের রোগ ভেবে ভুল করবেন না! শিংলস থেকেই বাড়তে পারে স্ট্রোক-হার্ট অ্যাটা... INDIA Meeting: মমতা-অভিষেকের গাড়ি ঢুকতেই সরে গেলেন রাহুল-সনিয়া! তারপর কী ঘটল INDIA বৈঠকে? Bigg Boss Bangla 2026: বিগ বস বাংলায় সৌরভের বদলে রূপম ইসলাম? ভাইরাল পোস্ট দেখে হাসি থামল ন... Student protest: মালদা কলেজে উত্তেজনা , মোতায়েন পুলিশ-সেন্ট্রাল ফোর্স Fishcatching: বন্যায় জলমগ্ন রাস্তায় জাল ফেলে মাছ ধরছেন বাসিন্দা, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে কৌতূহ... Asian Games 2026: এ বার লড়াই সোনার, কোরিয়াকে উড়িয়ে হকির ফাইনালে ভারতের মেয়েরা Airport: টেকঅফের আগেই বিমানের চাকায় আগুন, জরুরি স্লাইডে উদ্ধার ১৭৩ যাত্রী Women Football : পা ভেঙেও থামেনি, জাতীয় মঞ্চে সুদীপ্তার গোল Skin Care: শুধু ত্বকের রোগ ভেবে ভুল করবেন না! শিংলস থেকেই বাড়তে পারে স্ট্রোক-হার্ট অ্যাটা... INDIA Meeting: মমতা-অভিষেকের গাড়ি ঢুকতেই সরে গেলেন রাহুল-সনিয়া! তারপর কী ঘটল INDIA বৈঠকে? Bigg Boss Bangla 2026: বিগ বস বাংলায় সৌরভের বদলে রূপম ইসলাম? ভাইরাল পোস্ট দেখে হাসি থামল ন...

শেষে গাড়ি ছেড়ে হেঁটেই বাড়ি ! বেঙ্গালুরুর যানজটে ক্ষোভ স্টার্টআপ কর্তার

শেষে গাড়ি ছেড়ে হেঁটেই বাড়ি ! বেঙ্গালুরুর যানজটে ক্ষোভ স্টার্টআপ কর্তার

দেশের ‘সিলিকন ভ্যালি’। তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের অন্যতম বড় কেন্দ্র। প্রতিদিন হাজার হাজার কর্মী, উদ্যোক্তা, প্রযুক্তিবিদ ছুটছেন এই শহরের দিকে। নতুন সংস্থা তৈরি হচ্ছে, কোটি কোটি টাকার ব্যবসা হচ্ছে। কিন্তু সেই ঝাঁ চকচকে প্রযুক্তিনগরীর আর এক ছবি বার বার সামনে আসে—অসহনীয় যানজট, ভাঙাচোরা রাস্তা এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকা গাড়ির সারি। এ বার সেই অভিজ্ঞতারই কথা প্রকাশ্যে এনে সরব হলেন বেঙ্গালুরুর এক প্রযুক্তি-উদ্যোক্তা। মাত্র ৩ কিলোমিটার পথ পেরোতে তাঁর লেগে গেল প্রায় দেড় ঘণ্টা। শেষ পর্যন্ত গাড়ি ছেড়ে হাঁটতেই হল তাঁকে।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছে উদ্যোক্তা সোভিক রায়ের একটি ইনস্টাগ্রাম ভিডিয়োর মাধ্যমে। ভিডিয়োটির শিরোনাম—‘দ্য হিডেন কস্ট অফ বিল্ডিং আ বিজনেস ইন ইন্ডিয়া, এসপেশালি বেঙ্গালুরু’। অর্থাৎ, ভারতে, বিশেষ করে বেঙ্গালুরুতে ব্যবসা তৈরি করার যে ‘অদৃশ্য খরচ’, সেটিই তুলে ধরতে চেয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ব্যবসার খরচ বলতে শুধু টাকা, কর্মী বা অফিসের ভাড়া বোঝায় না। প্রতিদিনের যানজটে নষ্ট হয়ে যাওয়া সময়ও সেই খরচের অংশ। সোভিক জানিয়েছেন, একটি দোকানে কয়েকটি পণ্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছিলেন তাঁরা। 

পরিকল্পনা ছিল, গন্তব্যে গিয়ে জিনিসপত্র দিয়ে দ্রুত বাড়ি ফিরে আসবেন। গোটা কাজ শেষ হতে সর্বোচ্চ ১০ থেকে ২০ মিনিট লাগার কথা। কিন্তু বাস্তবে ৩ কিলোমিটার রাস্তা পার হতেই গাড়ি নিয়ে আটকে থাকতে হল প্রায় দেড় ঘণ্টা। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে গাড়িটি দোকানের কাছেই রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। তার পর আর গাড়িতে নয়—হেঁটেই বাড়ির পথে রওনা দেন। সোভিকের কথায়, যানজটের পাশাপাশি রাস্তার অবস্থাও ছিল অত্যন্ত খারাপ। তাঁর অভিযোগ, রাস্তার যে অংশ দিয়ে তাঁদের যেতে হচ্ছিল, সেখানে ‘রাস্তা বলে চেনার মতোও’ প্রায় কিছু ছিল না। ফলে গাড়ি নিয়ে এগোনো যেমন কঠিন, তেমনই সময়সাপেক্ষ হয়ে উঠেছিল। 

ঘটনার পর নিজের ক্ষোভের কথা ভিডিয়োয় তুলে ধরেন সোভিক। তাঁর প্রশ্ন, ব্যবসা চালাতে গিয়ে যদি উদ্যোক্তাদের প্রতিদিন এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, তা হলে উৎপাদনশীলতা বজায় রাখা কতটা সম্ভব? তাঁর বক্তব্যের মূল সুর, এক জন উদ্যোক্তার সময়ের মূল্য রয়েছে। কিন্তু সেই সময়ের বড় অংশ যদি রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ির ভিতর কেটে যায়, তা হলে তার প্রভাব শুধু ব্যক্তিগত জীবনে নয়, ব্যবসার উপরেও পড়ে। তাঁর মতে, সমস্যাটি শুধু তাঁর নয়। প্রতিদিন এই রাস্তায় চলাচল করেন ডেলিভারি কর্মী, দোকানদার, কর্মচারী এবং ক্রেতারা। তাঁদের প্রত্যেকের সময়ের উপরই যানজটের প্রভাব পড়ছে। ফলে যানজটকে শুধু ‘যাতায়াতের সমস্যা’ হিসেবে দেখলে ভুল হবে। 

এটি শহরের অর্থনীতি এবং কাজের গতির সঙ্গেও জড়িত। সোভিকের বক্তব্যের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, তিনি বেঙ্গালুরুর বাইরের কেউ নন। প্রায় ১০ বছর ধরে এই শহরে বসবাস করছেন তিনি। ফলে শহরের যানজট নিয়ে তাঁর মন্তব্যকে নিছক বাইরের কারও সমালোচনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। সম্ভাব্য সমালোচনার জবাবও আগেভাগে দিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্যের সারমর্ম, কেউ যেন তাঁকে বেঙ্গালুরু ছেড়ে নিজের জায়গায় ফিরে যাওয়ার পরামর্শ না দেন। কারণ তিনি দীর্ঘ দিন ধরে এই শহরে রয়েছেন এবং এখনও বেঙ্গালুরুর সম্ভাবনার বিষয়ে আশাবাদী। এই জায়গাটিই তাঁর বক্তব্যকে অন্য মাত্রা দিয়েছে। 

শহরের সমস্যার সমালোচনা করলেও বেঙ্গালুরু ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা বলছেন না তিনি। বরং তাঁর দাবি, শহরটি আরও ভাল ভাবে পরিচালিত হলে তার সম্ভাবনা আরও অনেক বেশি। বেঙ্গালুরুর যানজট নতুন কোনও সমস্যা নয়। দ্রুত নগরায়ণ, বিপুল সংখ্যক যানবাহন, রাস্তার সীমিত পরিসর এবং বিভিন্ন পরিকাঠামোগত কাজের কারণে শহরের বহু রাস্তায় নিয়মিত যানজট তৈরি হয়। এর আগে একাধিক প্রযুক্তিবিদ এবং উদ্যোক্তা তাঁদের দৈনন্দিন যাতায়াতের অভিজ্ঞতা সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরে একই সমস্যার কথা বলেছেন। এমনকি মাত্র ৪ কিলোমিটার পথ যেতে ৪৫ মিনিট লাগার অভিজ্ঞতাও ভাইরাল হয়েছে।

বেঙ্গালুরুর ক্ষেত্রে সমস্যাটি আরও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ শহরটির অর্থনীতির বড় অংশই সময়নির্ভর। প্রযুক্তি সংস্থা, স্টার্টআপ, ডেলিভারি পরিষেবা, ই-কমার্স, রেস্তরাঁ, খুচরো ব্যবসা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই দ্রুত চলাচল প্রয়োজন। একটি ছোট দূরত্ব পেরোতে যদি ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাগে, তা হলে তার প্রভাব পড়ে কর্মঘণ্টা, ডেলিভারি সময় এবং ব্যবসার খরচে। একটি গাড়ি ৩ কিলোমিটার যেতে দেড় ঘণ্টা সময় নিলে ক্ষতিটা শুধু পেট্রল বা ডিজেলের নয়। সেই গাড়িতে থাকা মানুষের কাজের সময় নষ্ট হচ্ছে। ডেলিভারি কর্মীর ক্ষেত্রে আরও একটি ডেলিভারি পিছিয়ে যেতে পারে। কোনও কর্মী অফিসে পৌঁছতে দেরি করতে পারেন। কোনও ব্যবসায়ী সময়মতো পণ্য পৌঁছে দিতে না-ও পারেন। 

অর্থাৎ, যানজটের প্রতিটি মিনিটের একটি অর্থনৈতিক মূল্য রয়েছে। সোভিকের ভিডিয়োর বক্তব্য মূলত সেই জায়গাতেই। তিনি দেখাতে চেয়েছেন, একটি শহরের রাস্তা শুধু মানুষকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যায় না। রাস্তার উপর নির্ভর করে ব্যবসার গতি, মানুষের উৎপাদনশীলতা এবং শহরের অর্থনৈতিক কার্যকলাপও। ভিডিয়োয় বেঙ্গালুরুর রাজনীতিকদের উদ্দেশেও সরাসরি বার্তা দিয়েছেন সোভিক। তাঁর আবেদন, শহরের সমস্যা নিয়ে আরও গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হোক। রাস্তা, যানজট এবং নগর পরিকাঠামোর উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। তবে সমালোচনার পাশাপাশি তাঁর কথায় বেঙ্গালুরুর প্রতি আস্থাও রয়েছে। 

তাঁর বক্তব্যের সারকথা, এত সমস্যার পরেও তিনি শহরটির ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী। অর্থাৎ সমস্যা দেখে শহর ছেড়ে চলে যাওয়া নয়, বরং শহরটিকে আরও বাসযোগ্য ও ব্যবসাবান্ধব করে তোলার দাবি তাঁর। প্রযুক্তির শহর বেঙ্গালুরুতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্টার্টআপ, অ্যাপ এবং স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি নিয়ে প্রতিদিন নতুন নতুন আলোচনা হয়। অথচ সেই শহরেই ৩ কিলোমিটার পথ যেতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত একজন প্রযুক্তি-উদ্যোক্তাকে গাড়ি ছেড়ে হাঁটতে হল। সেই ছবিটিই যেন বেঙ্গালুরুর যানজটের সবচেয়ে বড় প্রতীক। এক দিকে প্রযুক্তির দৌড়ে শহরটি দেশের শীর্ষে। 

অন্য দিকে, শহরের রাস্তায় তিন কিলোমিটারের পথও কখনও কখনও হয়ে উঠছে দেড় ঘণ্টার পরীক্ষা। সোভিক রায়ের প্রশ্ন তাই শুধু তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার প্রশ্ন নয়, যে শহর সারা পৃথিবীর ডিজিটাল ভবিষ্যৎ তৈরি করছে, সেই শহর কি নিজের রাস্তায় চলার মতো ভবিষ্যৎ তৈরি করতে পারছে? এই প্রশ্নের উত্তরই এখন বেঙ্গালুরুর কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

138 Views 0 Likes 0 Comments

Related News

Fishcatching: বন্যায় জলমগ্ন রাস্তায় জাল ফেলে মাছ ধরছেন বাসিন্দা, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে কৌতূহল
দেশ

Fishcatching: বন্যায় জলমগ্ন রাস্তায় জাল ফেলে মাছ ধরছেন বাসিন্দা, ভাইরাল ভিডিও ঘি...

শহরের একটি প্রধান সড়কে প্রায় কোমর সমান জল জমে রয়েছে। সেই জল ঠেলেই ধীরগতিতে এগিয়ে চলেছে বড় বড় ট্রাক, চার চাকার গাড়ি এবং স্কুটার। চারদিকে জল আর জল। রাস্তার একপাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন টুপি পরা ও সাধারণ পোশাকের এক ব্যক্তি। আচমকাই তিনি রাস্তার জমা জলে দক্ষ হাতে জাল ছুড়ে দেন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর জালটি ধীরে ধীরে টেনে তুলতেই দেখা যায়, তার মধ্যে আটকে রয়েছে বেশ কয়েকটি জ্যান্ত মাছ।

৩০ সেপ্টে ২০২৬, ০৫:৫৯ পিএম · 2 মিনিট
Airport: টেকঅফের আগেই বিমানের চাকায় আগুন, জরুরি স্লাইডে উদ্ধার ১৭৩ যাত্রী
দেশ

Airport: টেকঅফের আগেই বিমানের চাকায় আগুন, জরুরি স্লাইডে উদ্ধার ১৭৩ যাত্রী

বিমানের সামনের ও পেছনের দিকের জরুরি স্লাইড দিয়ে যাত্রীরা দ্রুত গড়িয়ে নিচে নামছেন অথচ জীবনের এমন চরম ঝুঁকির মুখেও একদল যাত্রীর মূল মনোযোগ যেন নিজেদের হাতব্যাগে আটকে রয়েছে। কেউ পিঠে ব্যাকপ্যাক ঝুলিয়ে স্লাইড দিয়ে নামছেন, কারও হাতে বড়সড় ট্রলি বা সুটকেস, আবার কেউ কাঁধে সাইডব্যাগ শক্ত করে আঁকড়ে রানওয়ের ওপর দৌড়াচ্ছেন। এমনকি ব্যাগ নামাতে গিয়ে ভারসাম্য হারিয়ে অনেকে রানওয়েতে আছড়েও পড়েন। পেছনে ইঞ্জিনের নিচ থেকে ধোঁয়া কুণ্ডলী পাকিয়ে বেরোচ্ছে, ঘটনা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে দমকলের ইঞ্জিন।

৩০ সেপ্টে ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম · 2 মিনিট
Mallikarjun Kharge: ‘ব্যালট পেপারে ফিরতে হবে!’ INDIA বৈঠকে খাড়গের বিস্ফোরক দাবি, SIR-এ ১৩ কোটির বেশি ভোটার নিয়ে তীব্র আক্রমণ
দেশ

Mallikarjun Kharge: ‘ব্যালট পেপারে ফিরতে হবে!’ INDIA বৈঠকে খাড়গের বিস্ফোরক দাবি,...

নয়াদিল্লি: নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR এবং EVM নিয়ে ফের সরব বিরোধী জোট INDIA। বুধবারের বৈঠকে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে তাঁর প্রারম্ভিক বক্তব্যে দাবি করেন, দেশের গণতান্ত্রিক...

৩০ সেপ্টে ২০২৬, ০২:৩৪ পিএম · 2 মিনিট

Top Comments (0)

No approved comments yet.