JAZZBAAT 24 BANGLA
০১ অক্টো ২০২৬, ০১:৪৫ এএম
Breaking
Military: দুই দশকের সামরিক অধ্যায়ের অবসান, ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার CockpitAttack: মাঝ-আকাশে ককপিটে ছুরির আঘাত, যাত্রীদের সাহসিকতায় রক্ষা পেল ১৮০ প্রাণ Shubman Gill: অধিনায়কের ডাবল সেঞ্চুরিতে নয়া ইতিহাস! ৪০০ রান তাড়া করে অবিশ্বাস্য জয় ভার... DeerRescue: বিপদে হরিণ, বন্ধুত্বের হাত বাড়াল বাঁদরদল! অবলা প্রাণীদের মানবিকতা দেখে অবাক ন... Rescue: ভয়াবহ তুষারধসে বরফের নীচে চাপা অন্তত ১২ শেরপা, চলছে উদ্ধারকাজ NorthBengalTourism :রোপওয়ে থেকে হোমস্টে, বদলাচ্ছে পাহাড়ের চিত্র বিমল এলাইচির-র বিজ্ঞাপনের জেরে আইনি বিপাকে শাহরুখ, অজয় ও টাইগার Rohit Sharma: পাহাড় চড়ার পথে অবিস্মরণীয় নজির, দ্বিতীয় দ্রুততম ১২ হাজার রান রোহিতের Military: দুই দশকের সামরিক অধ্যায়ের অবসান, ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার CockpitAttack: মাঝ-আকাশে ককপিটে ছুরির আঘাত, যাত্রীদের সাহসিকতায় রক্ষা পেল ১৮০ প্রাণ Shubman Gill: অধিনায়কের ডাবল সেঞ্চুরিতে নয়া ইতিহাস! ৪০০ রান তাড়া করে অবিশ্বাস্য জয় ভার... DeerRescue: বিপদে হরিণ, বন্ধুত্বের হাত বাড়াল বাঁদরদল! অবলা প্রাণীদের মানবিকতা দেখে অবাক ন... Rescue: ভয়াবহ তুষারধসে বরফের নীচে চাপা অন্তত ১২ শেরপা, চলছে উদ্ধারকাজ NorthBengalTourism :রোপওয়ে থেকে হোমস্টে, বদলাচ্ছে পাহাড়ের চিত্র বিমল এলাইচির-র বিজ্ঞাপনের জেরে আইনি বিপাকে শাহরুখ, অজয় ও টাইগার Rohit Sharma: পাহাড় চড়ার পথে অবিস্মরণীয় নজির, দ্বিতীয় দ্রুততম ১২ হাজার রান রোহিতের

শত দিনে বিজেপি সরকার: প্রতিশ্রুতির মঞ্চ থেকে বাস্তবের মাটিতে, কোথায় বদল, কোথায় বঞ্চনা?

শত দিনে বিজেপি সরকার: প্রতিশ্রুতির মঞ্চ থেকে বাস্তবের মাটিতে, কোথায় বদল, কোথায় বঞ্চনা?

সরকারের প্রথম একশো দিনকে চূড়ান্ত পরীক্ষার খাতা বলা যায় না। কিন্তু ভোটের আগে যে প্রতিশ্রুতির পাহাড় তৈরি হয়েছিল, ক্ষমতায় আসার পরে তার কতটা নীতিতে, কতটা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে এবং কতটা মানুষের হাতে পৌঁছল—তার প্রাথমিক হিসাব করার জন্য একশো দিন যথেষ্ট। বিশেষত এমন একটি সরকার, যারা ‘পরিবর্তন’-এর ডাক দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে, তাদের ক্ষেত্রে প্রশ্নটি আরও সরাসরি: শুধু সরকার বদলেছে, না কি মানুষের জীবনেও বদলের ছাপ পড়েছে?

পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকারের প্রথম একশো দিনের খাতা তাই একরঙা নয়। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চালু হয়েছে, ২০ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা হয়েছে, সপ্তম বেতন কমিশনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, এক লক্ষ সরকারি শূন্যপদ পূরণের কথা বলা হয়েছে। আবার অন্নপূর্ণার যোগ্যতা নিয়ে নতুন শর্ত, হকার উচ্ছেদ, চাকরির প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় এবং তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের এনসিপিআই হয়ে এনডিএ-র সঙ্গে যাওয়া—সব মিলিয়ে সরকারের রাজনৈতিক নৈতিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
সবচেয়ে বড় কথা, নির্বাচনের আগে বলা কথা এবং ক্ষমতায় এসে করা কাজের মধ্যে ফারাক কতটা, সেটিই এখন মানুষের আলোচনার কেন্দ্রে।

অন্নপূর্ণা: প্রতিশ্রুতির সঙ্গে শর্তের সংঘাত

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারই এই সরকারের প্রথম একশো দিনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। বিজেপির ২০২৬-এর নির্বাচনী ইস্তাহারে প্রতি মাসে ৩,০০০ করে আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি ছিল। প্রচারে বিজেপির শীর্ষ নেতাদের বক্তব্যে ‘প্রতি মহিলা’-র কাছে টাকা পৌঁছে দেওয়ার বার্তাই জোরালো ভাবে গিয়েছিল। 

অমিত শাহের ইস্তাহার প্রকাশের সময়ও প্রতি মহিলার জন্য মাসিক ৩,০০০-এর কথা বলা হয়েছিল। ক্ষমতায় এসে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার বাস্তবায়িত হয়েছে—এটি সরকারের পক্ষে নিঃসন্দেহে একটি বড় সাফল্য। জুন থেকেই প্রকল্প চালুর ঘোষণা হয় এবং ১৭ অগস্ট থেকে নতুন কিস্তির টাকা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। কিন্তু এখানেই তৈরি হয়েছে বড় রাজনৈতিক ধাক্কা।

‘সব মহিলা’ থেকে ‘মাসে ১০ হাজারের কম আয়!

সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করেছেন, যাঁর নিজের মাসিক আয় ১০,০০০ বা তার বেশি, তিনি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ৩,০০০ পাবেন না। বয়সও ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে। সরকারি চাকরি, আয়করদাতা হওয়া, নির্দিষ্ট জমির মালিকানা, নির্দিষ্ট ধরনের বাড়ি—এমন আরও কয়েকটি শর্ত রয়েছে। বার্ষিক পারিবারিক আয়ের সীমাও ১২ লক্ষ রাখা হয়েছে।
অর্থাৎ নির্বাচনী প্রচারের বিস্তৃত রাজনৈতিক বার্তা এবং প্রশাসনিক যোগ্যতার মধ্যে এখন একটি স্পষ্ট ফারাক তৈরি হয়েছে।

সরকার বলতে পারে, এটি ‘সর্বজনীন ভাতা’ নয়, ‘যোগ্য মহিলাদের’ সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প। সরকারি অর্থ অযথা তুলনামূলক স্বচ্ছল পরিবারের হাতে না গিয়ে দরিদ্র পরিবারের কাছে যাক—এই যুক্তিও অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু ভোটারের প্রশ্নটি অন্য। ভোটের আগে যদি বার্তা হয়—মহিলারা ৩,০০০ পাবেন, আর ক্ষমতায় এসে বলা হয়—শুধু নির্দিষ্ট আয়ের নীচের মহিলারা পাবেন, তা হলে সেই পরিবর্তনটি নির্বাচনের আগে স্পষ্ট করে বলা হয়েছিল কি? এই প্রশ্ন থেকেই ‘মিথ্যা প্রতিশ্রুতি’র অভিযোগ উঠছে। এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগটি যে রাজনৈতিক ভাবে শক্তিশালী হয়ে উঠছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই।

মহিলাদের ক্ষোভ

অন্নপূর্ণা নিয়ে ক্ষোভের আসল জায়গা টাকা কমে যাওয়া নয়। প্রতিশ্রুতির ধারণা বদলে যাওয়াই সমস্যার জায়গা।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে তৃণমূলের সময়ে সাধারণ শ্রেণির মহিলারা ১,৫০০ এবং তফসিলি জাতি ও উপজাতির মহিলারা ১,৭০০ পেতেন। বিজেপি নির্বাচনের আগে সেই কাঠামোকে অতিক্রম করে ৩,০০০-এর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। ফলে অনেক মহিলা স্বাভাবিক ভাবেই ধরে নিয়েছিলেন—ক্ষমতা বদলালে তাঁদের মাসিক সহায়তা বাড়বে। কিন্তু এখন যাঁদের আয় ১০,০০০-এর সামান্য বেশি, তাঁদের কাছে বিষয়টি দাঁড়াচ্ছে সম্পূর্ণ উল্টো: তাঁরা এক টাকা বেশি আয় করার কারণে ৩,০০০-এর সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। এখানেই তৈরি হচ্ছে ‘ক্লিফ এফেক্ট’। 

একজনের মাসিক আয় ৯,৯০০ হলে তিনি যোগ্য, আর ১০,১০০ হলে অযোগ্য—সামাজিক বাস্তবতায় এই পার্থক্য কতটা যুক্তিযুক্ত, সেটি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। সরকার অবশ্য যাচাই ব্যবস্থা রেখেছে এবং অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থাও চালু করার কথা জানিয়েছে। প্রায় ৯৯ শতাংশ আবেদন যাচাই হয়ে গিয়েছে বলেও সরকারি তরফে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ সরকারের হাতে এখন একটি সুযোগও রয়েছে—যাঁরা প্রকৃত যোগ্য অথচ নথিগত কারণে বাদ পড়েছেন, তাঁদের আপিলের পথ সহজ করে দেওয়া।

২৬ লক্ষ আবেদন বাতিল, দায় কার?

অন্নপূর্ণা প্রকল্পের যাচাইয়ে প্রায় ২৬ লক্ষ আবেদন বাতিল হয়েছে বলে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। ভোটার তালিকায় নামের অসঙ্গতি, আধার বা ব্যাঙ্কের তথ্যের ভুল, পরিবারের কারও সরকারি চাকরি বা পেনশন, আয়কর সংক্রান্ত তথ্য—বিভিন্ন কারণে আবেদন আটকে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। 

সরকারের পক্ষে যুক্তি পরিষ্কার: এত বড় প্রকল্পে ভুয়ো বা অযোগ্য নাম ঢুকতে দেওয়া যায় না। কিন্তু কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের দ্বিতীয় দায়িত্ব হল—যোগ্য মানুষ যেন কাগজের ভুলে বঞ্চিত না হন। একজন দরিদ্র মহিলা যদি ব্যাঙ্কের নামের বানানে ভুলের জন্য টাকা না পান, তবে তাঁকে ‘অযোগ্য’ বলা যায় না। তাঁকে সংশোধনের সুযোগ দিতে হবে। এই জায়গাতেই প্রশাসনের দক্ষতা পরীক্ষা হবে।

অন্নপূর্ণার আর্থিক বোঝা

সরকার প্রথমে অন্নপূর্ণার জন্য ৩৬,০০০ কোটি বরাদ্দ করেছিল। কিন্তু উপভোক্তার সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। ১৪ অগস্ট পর্যন্ত প্রায় ১.৫ কোটি আবেদন যাচাই হয়েছে এবং সংখ্যা ২ কোটির দিকে যেতে পারে বলে অর্থ দফতর অনুমান করছে। সে ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অন্তত ১২,০০০ কোটি ব্যয়ের প্রয়োজন হতে পারে। এটি এক দিকে সরকারের জনকল্যাণমূলক অঙ্গীকারের শক্তি, অন্য দিকে রাজ্যের আর্থিক সামর্থ্যের প্রশ্ন। দুই কোটির কাছাকাছি মহিলাকে মাসে ৩,০০০ দিলে বছরে বিপুল অর্থ প্রয়োজন। ফলে সরকারকে শুধু টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নয়, দীর্ঘমেয়াদি রাজস্ব পরিকল্পনাও দেখাতে হবে।

হকার উচ্ছেদ: ফুটপাত কার?

দ্বিতীয় বড় বিতর্ক হকার উচ্ছেদ। সরকারের যুক্তি—ফুটপাত সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য। সরকারি জায়গা দখল করে ব্যবসা চলতে পারে না। যানজট, অগ্নিনিরাপত্তা, পথচারীর অধিকার এবং শহরের সৌন্দর্য—সবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অন্যদিকে হকারের কাছে ফুটপাতই কর্মক্ষেত্র। কলকাতায় হকার উচ্ছেদ নতুন ঘটনা নয়। বাম আমলের ‘অপারেশন সানশাইন’-এর স্মৃতি রয়েছে। তৃণমূল আমলেও হকার উচ্ছেদ নিয়ে বিতর্ক হয়েছে। বিজেপি সরকারও সেই একই বাস্তবতার সামনে দাঁড়িয়েছে।

তাই প্রশ্ন হওয়া উচিত নয়—হকার থাকবে কি থাকবে না। প্রশ্ন হওয়া উচিত—কোথায় থাকবে, কী ভাবে থাকবে এবং কার অনুমতিতে থাকবে? সরকার যদি ফুটপাত দখলমুক্ত করতে চায়, তা হলে বৈধ হকারদের তালিকা, নির্দিষ্ট হকার জ়োন, লাইসেন্স এবং পুনর্বাসনের ব্যবস্থা একই সঙ্গে করতে হবে। উচ্ছেদ যদি হয়, কিন্তু বিকল্প জীবিকা না থাকে, তা হলে ‘শহর সুন্দর’ হওয়ার মূল্যটা দিচ্ছেন কে?

চাকরির ঘোষণা বনাম নিয়োগপত্রের দূরত্ব

বিজেপির অন্যতম বড় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল কর্মসংস্থান। নির্বাচনী ইস্তাহারে পাঁচ বছরে এক কোটি চাকরি ও স্বনিযুক্তির সুযোগ তৈরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি প্রতি বেকার যুবককে মাসে ৩,০০০ সহায়তার কথাও বলা হয়। ক্ষমতায় এসে প্রথম বাজেটে এক লক্ষ সরকারি শূন্যপদ পূরণের ঘোষণা হয়েছে এবং তার মধ্যে ৩৩ শতাংশ মহিলাদের জন্য রাখার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু চাকরিপ্রার্থীর কাছে আসল সংখ্যা এক লক্ষ নয়।

আসল প্রশ্ন—নিয়োগপত্র কবে? বাংলায় নিয়োগ নিয়ে দীর্ঘ আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতার পর নতুন সরকারের সামনে তাই শুধু পদ ঘোষণা করলেই হবে না। পরীক্ষা, মেধাতালিকা, যাচাই, মামলা-মোকদ্দমা—প্রতিটি স্তর স্বচ্ছ ভাবে পার করতে হবে। নতুন সরকার যদি সত্যিই স্বচ্ছ নিয়োগ করতে পারে, সেটিই হবে তৃণমূল আমলের অন্যতম বড় রাজনৈতিক অভিযোগের বিরুদ্ধে বিজেপির সবচেয়ে কার্যকর জবাব।

ডিএ: প্রথম বড় বাস্তব সাফল্য

২০ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি বিজেপি সরকারের প্রথম বাজেটের সবচেয়ে স্পষ্ট বাস্তব সিদ্ধান্তগুলির একটি। ডিএ ১৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩৮ শতাংশ করার ঘোষণা হয়েছে। একই সঙ্গে সপ্তম বেতন কমিশনের প্রক্রিয়াও এগিয়েছে। সরকারি কর্মীদের কাছে এটি নিঃসন্দেহে স্বস্তির।

কিন্তু এখানেও একটি অর্থনৈতিক প্রশ্ন থাকবে—অন্নপূর্ণা, ডিএ, সপ্তম বেতন কমিশন, নতুন চাকরি এবং অন্যান্য সামাজিক প্রকল্প একসঙ্গে চালাতে রাজ্যের আয় কতটা বাড়ানো যাবে? জনমুখী সরকার হতে গেলে টাকা খরচ করতেই হয়। কিন্তু সেই টাকা কোথা থেকে আসবে, সেটিও জনমুখী সরকারেরই উত্তর দেওয়ার বিষয়।

৪০০ টাকার গ্যাস ও ২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ

বিজেপির নির্বাচনী প্রচারে সাধারণ মানুষের সংসার খরচ কমানোর প্রতিশ্রুতিও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বিশেষত বিদ্যুতের ক্ষেত্রে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে পরিষেবার প্রতিশ্রুতি এবং গৃহস্থের জ্বালানি খরচ কমানোর প্রতিশ্রুতি মানুষের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি করেছিল। 

২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুতের প্রতিশ্রুতি নির্বাচনী ইস্তাহার ও প্রচারে স্পষ্ট ভাবে ছিল। কিন্তু এই ধরনের প্রতিশ্রুতির ক্ষেত্রে মানুষের কাছে ‘নীতি ঘোষিত হয়েছে’ কোনও উত্তর নয়। তাঁরা দেখতে চাইবেন বিদ্যুৎ বিলে বাস্তবে কত টাকা কমল। অর্থাৎ পরবর্তী একশো দিনে সরকারের সামনে একটি সহজ পরীক্ষা—প্রতিশ্রুতির তালিকা প্রকাশ করে প্রতিটির বাস্তবায়নের তারিখ জানানো।

২০ সাংসদের দলবদল

এর পর আসে জাতীয় রাজনীতির সবচেয়ে বিতর্কিত অধ্যায়। তৃণমূলের ২০ জন সাংসদ দল ছেড়ে এনসিপিআই-তে গিয়ে পৃথক সংসদীয় গোষ্ঠী তৈরি করেছেন এবং পরে এনডিএ-র বৈঠকে যোগ দিয়েছেন। এনসিপিআই নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানিয়েছেন, তাঁরা নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কাজ করতে চান। তৃণমূল এই ঘটনাকে মেনে নেয়নি। ২০ সাংসদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ-বিরোধী আইনে ব্যবস্থা চেয়ে লোকসভার স্পিকারের কাছে আবেদন করেছে। 

১৪ অগস্টের রিপোর্ট অনুযায়ী, তৃণমূল সুপ্রিম কোর্টেও যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এখানে আইনের প্রশ্ন যেমন আছে, তেমনই নৈতিকতার প্রশ্নও আছে। এই সাংসদরা তৃণমূলের প্রতীকে ভোট পেয়েছিলেন। তাঁদের ভোট কি তাঁদের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক সম্পত্তি? নাকি ভোটারের দেওয়া ম্যান্ডেটের সঙ্গে দলীয় পরিচয়ও জড়িত? আবার সাংসদদের বক্তব্য—তাঁরা দল ভাঙেননি, বরং সাংবিধানিক বিধানের ‘merger’ ধারার আওতায় নতুন গোষ্ঠীতে গিয়েছেন। বিষয়টি এখন আইনি পরীক্ষারও। অর্থাৎ ঘটনাটিকে সরল ভাবে ‘জার্সি বদল’ বললে অত্যুক্তি হয় না। হলে বিজেপির জন্য রাজনৈতিক নৈতিকতার প্রশ্নটি থেকেই যায়।

ঋতব্রত তৃণমূল নিয়ে অস্বস্তি?

বাংলার রাজনীতিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই একটি রাজনৈতিক যাত্রার প্রতীক—বাম রাজনীতি থেকে তৃণমূল, এবং তৃণমূলের ভিতরের দ্বন্দ্বের পরে নতুন রাজনৈতিক অবস্থান। তাঁকে ঘিরে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন বিজেপি সরকারের বিধানসভা রাজনীতিতে নিঃসন্দেহে সুবিধা তৈরি করেছে। কিন্তু বিজেপির নিচুতলার কর্মীদের প্রশ্নটিও উপেক্ষা করা যায় না।
 

যাঁরা বছরের পর বছর তৃণমূলের বিরুদ্ধে রাস্তায় লড়েছেন, মামলা খেয়েছেন, সংগঠন করেছেন, তাঁদের কাছে স্বাভাবিক প্রশ্ন—ক্ষমতায় এসে যদি পুরনো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষেরই একাংশ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, তবে এত দিনের কর্মীদের রাজনৈতিক জায়গা কোথায়? স্বভাবতই বিজেপির  কর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভ বাড়ছে। মনে রাখতে হবে, দলবদল করে নেতা পাওয়া যায়। কিন্তু কর্মীর আস্থা দলবদল করে পাওয়া যায় না।

সীমান্তের প্রতিশ্রুতি

বিজেপির নির্বাচনী রাজনীতিতে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত কখনওই প্রান্তিক বিষয় ছিল না। বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ, সীমান্তে বেড়ার অসম্পূর্ণতা, জাল নথি এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলের নিরাপত্তা—এই সমস্ত প্রশ্নকে সামনে রেখেই বিজেপি বহু বছর ধরে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়েছে। ফলে ক্ষমতায় আসার পরে সীমান্ত নিয়ে বিজেপি সরকার কী করে, সেটি ছিল তাদের প্রথম একশো দিনের অন্যতম বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা।

এই জায়গায় সরকার অন্তত একটি স্পষ্ট পদক্ষেপ করেছে। প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য বিএসএফকে প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া দ্রুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাজ্য সরকারের দাবি, দীর্ঘদিন জমি হস্তান্তরের জটিলতায় আটকে থাকা কাজ এবার এগোতে শুরু করেছে। পরবর্তী সময়ে ১৪২.৭৯ একর জমি বিএসএফকে দেওয়া হয়েছে। মুর্শিদাবাদে ৩৮.৮০৫ একর, জলপাইগুড়িতে ৩৫.১৬৫ একর, কোচবিহারে ২২.৯৫ একর, দক্ষিণ দিনাজপুরে ২০.১৭০১ একর এবং মালদহে ১০.৯০ একর জমি রয়েছে সেই তালিকায়।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আরও দাবি করেছেন, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার সাত দিনের মধ্যেই বিএসএফকে ৬০০ হেক্টর জমি হস্তান্তর করেছে। বিজেপি এটিকে তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির দ্রুত বাস্তবায়ন হিসাবে তুলে ধরেছে। এখানে বিজেপি সরকারের পক্ষে একটি রাজনৈতিক সুবিধা অবশ্যই রয়েছে। 

কারণ সীমান্তে বেড়া নির্মাণ পুরোপুরি রাজ্য সরকারের হাতে নয়—বিএসএফ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন। কিন্তু জমি অধিগ্রহণ, হস্তান্তর এবং স্থানীয় প্রশাসনিক সহযোগিতায় রাজ্য সরকারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এত দিন যে জমি-সংক্রান্ত জটিলতার কথা সামনে এসেছে, সেই জায়গায় নতুন সরকার দ্রুততা দেখাতে পারলে সেটি প্রশাসনিক সাফল্য হিসাবেই গণ্য হবে।

শুধু বেড়া নয়, নজরদারির নতুন মডেল

তবে সীমান্ত নিরাপত্তা এখন আর শুধু কাঁটাতারের বেড়ার প্রশ্ন নয়। নদী, চর, দুর্গম এলাকা, জনবসতি এবং দীর্ঘ সীমান্তরেখার কারণে কেবল বেড়া দিয়ে অনুপ্রবেশ আটকানো সম্ভব কি না, সেটিও প্রশ্ন। সেই কারণেই কেন্দ্র ‘স্মার্ট বর্ডার’ বা প্রযুক্তিনির্ভর সীমান্ত নিরাপত্তার পরিকল্পনা সামনে এনেছে। 

অমিত শাহ জানিয়েছেন, এই নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রথম বাস্তবায়নের জন্য বাংলাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। নজরদারিতে আধুনিক প্রযুক্তি, পরিকাঠামো এবং বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সমন্বিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থাৎ প্রথম একশো দিনে বিজেপি সরকারের সীমান্ত নীতি শুধু রাজনৈতিক বক্তৃতায় আটকে নেই—জমি হস্তান্তর, বেড়া নির্মাণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির দিকে প্রশাসনিক পদক্ষেপ শুরু হয়েছে।

অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে অভিযান

সীমান্ত নিরাপত্তার দ্বিতীয় দিকটি আরও স্পর্শকাতর। রাজ্য সরকার বিদেশি নাগরিকদের চিহ্নিত করা এবং প্রত্যাবাসনের জন্য সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির নির্দেশ দিয়েছে। সরকারি বক্তব্য অনুযায়ী, যাঁদের বেআইনি ভাবে ভারতে থাকার অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া চলাকালীন এই কেন্দ্রগুলি ব্যবহার করা হবে। জুনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, প্রায় ৪,৮০০ অবৈধ অভিবাসীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে এবং আরও ৮৩৬ জন প্রত্যাবাসনের অপেক্ষায় রয়েছেন। 

এখানেই সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব—‘অনুপ্রবেশকারী’ আর ‘ভারতীয় নাগরিক’-এর মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণের প্রক্রিয়া যেন সম্পূর্ণ আইনসম্মত ও স্বচ্ছ হয়। সীমান্ত নিরাপত্তা কঠোর হওয়া প্রয়োজন, কিন্তু সেই কঠোরতার নামে কোনও ভারতীয় নাগরিক যাতে হয়রানির শিকার না হন, সেটিও একটি গণতান্ত্রিক সরকারের সমান গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

প্রতিশ্রুতি পূরণ, না কি রাজনৈতিক বার্তা?

সীমান্ত নিয়ে তাই প্রথম একশো দিনের হিসাব অন্য অনেক বিষয়ের তুলনায় কিছুটা আলাদা। অন্নপূর্ণার ক্ষেত্রে যেমন নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও বর্তমান যোগ্যতার শর্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সীমান্তের ক্ষেত্রে বিজেপি অন্তত বলতে পারছে—ক্ষমতায় এসেই তারা সেই বিষয়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু কাজ শুরু হওয়া আর কাজ শেষ হওয়া এক নয়। কত কিলোমিটার সীমান্তে নতুন বেড়া হল? কতটা অংশ এখনও অরক্ষিত? 

কোন কোন জায়গায় নদী বা ভৌগোলিক কারণে বেড়া দেওয়া সম্ভব নয়? স্মার্ট বর্ডার প্রকল্প কবে শেষ হবে? অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে যাচাইয়ের পদ্ধতি কী?—এই প্রশ্নগুলির উত্তর আগামী দিনে দিতে হবে। কারণ সীমান্ত শুধু ভোটের ইস্যু নয়। সীমান্ত নিরাপত্তা জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়।

সুতরাং প্রথম একশো দিনে বিজেপি সরকারের এই পদক্ষেপকে নিঃসন্দেহে বাস্তবায়নের দিকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি বলা যায়। কিন্তু সরকারের প্রকৃত সাফল্য প্রমাণিত হবে তখনই, যখন কাঁটাতারের বেড়া, বিএসএফের জমি এবং স্মার্ট নজরদারির পাশাপাশি সীমান্তবর্তী মানুষের নিরাপত্তা, জীবিকা ও নাগরিক অধিকারও সমান ভাবে সুরক্ষিত থাকবে। রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির ভাষায় সীমান্ত ছিল ভোটের ইস্যু; শাসনের ভাষায় এখন সেটিকে জাতীয় নিরাপত্তার নীতিতে পরিণত করার পালা।

পরিবর্তন মানে শুধু মুখ বদল নয়

এই একশো দিনে বিজেপি সরকার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছে—অন্নপূর্ণা চালু করেছে, ডিএ বাড়িয়েছে, সপ্তম বেতন কমিশন এগিয়েছে, এক লক্ষ চাকরির ঘোষণা করেছে। কিন্তু একই সঙ্গে কিছু সিদ্ধান্ত মানুষের প্রত্যাশার সঙ্গে সংঘাত তৈরি করেছে।
অন্নপূর্ণার ৩,০০০ প্রতিশ্রুতি এখন আয়-সীমার জালে আটকে যাচ্ছে। 

হকার উচ্ছেদ শহরকে শৃঙ্খলিত করার চেষ্টা হলেও জীবিকার প্রশ্ন তুলছে। চাকরির ঘোষণা এখনও নিয়োগপত্রে পরিণত হয়নি। আর দলবদলের রাজনীতি বিজেপির পুরনো কর্মীদের মনে প্রশ্ন তুলছে। তাই প্রথম একশো দিনের রিপোর্ট কার্ডে বিজেপিকে না ফেল করা যায়, না পাশ করিয়ে দেওয়া যায়।
বরং বলা যায়—সরকার কিছু প্রতিশ্রুতির দরজা খুলেছে, কিন্তু সেই দরজার সামনে বেশ কিছু নতুন শর্তও বসিয়েছে।

মানুষ এখন প্রতিশ্রুতির হিসাব চাইছে

নির্বাচনের সময় মানুষ বড় বড় কথা শোনে। ক্ষমতায় আসার পরে সেই কথাগুলিই ছোট ছোট সংসারের প্রশ্নে পরিণত হয়।
অন্নপূর্ণার টাকা পাব কি না? আমার আয় ১০ হাজারের একটু বেশি হলে কেন পাব না? প্রচারে তো সবাইকে দেবে বলেছিল, তাহলে এখন অন্য কথা বলার অর্থ তো লোক ঠকিয়ে ভোট কেনা?

  • হকার হলে দোকান কোথায় বসাব?
  • ছেলের চাকরি কবে হবে?
  • বিদ্যুতের বিল কত কমবে?
  • গ্যাসের দাম কত হবে?
  • সরকারি কর্মীর ডিএ বাড়ল, কিন্তু রাজ্যের আর্থিক বোঝা কত বাড়ল?

আর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—যাঁদের বিরুদ্ধে লড়ে মানুষ বিজেপিকে ক্ষমতায় আনল, তাঁদেরই যদি একাংশ পরে ক্ষমতার নতুন সমীকরণের অংশ হয়ে যান, তা হলে রাজনীতির পুরনো এবং নতুনের পার্থক্য কোথায়? এই প্রশ্নগুলির উত্তরই বিজেপি সরকারের দ্বিতীয় একশো দিনের আসল পরীক্ষা। কারণ ভোটার শুধু সরকার বদলাননি। তিনি প্রত্যাশা বদলেছেন।

অন্নপূর্ণা যদি সত্যিই দরিদ্র মহিলার হাতে নিয়মিত টাকা পৌঁছে দেয়, তা হলে সেটি প্রতিশ্রুতি পূরণ। চাকরি যদি সত্যিই মেধার ভিত্তিতে হয়, তা হলে সেটি পরিবর্তন। হকারকে সরিয়ে যদি বিকল্প জীবিকা দেওয়া যায়, তা হলে সেটি প্রশাসন। আর পুরনো দলের নেতাকে জায়গা দেওয়ার পাশাপাশি যদি পুরনো কর্মীকেও মর্যাদা দেওয়া যায়, তা হলে সেটি সংগঠন। নইলে একশো দিন পরে প্রশ্নটা থেকেই যাবে, ‘বদল তো হল, কিন্তু বদলাল কার জীবন?’

159 Views 1 Likes 0 Comments

Related News

শান্তির শ্বেতকপোত আর বারুদের পৃথিবীতে এক ফালি জোছনা
Jazzbaat প্লাস

শান্তির শ্বেতকপোত আর বারুদের পৃথিবীতে এক ফালি জোছনা

দিব্যেন্দু ঘোষ: একুশে সেপ্টেম্বর বিশ্বজুড়ে উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস। বিশ্ববাসীর গভীর বেদনাবোধ এবং বুকভরা আশার এক অনন্য প্রতিচ্ছবি। চারপাশে তাকালে আজ মন অজানা আতঙ্কে শিউরে ওঠে। গোটা পৃথিবীটাই যেন আজ বিশাল বারুদখ...

২২ সেপ্টে ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম · 3 মিনিট
করম উৎসব : বাংলার উচ্চবর্গীয় রাজনীতির নয়া সমীকরণ
Jazzbaat প্লাস

করম উৎসব : বাংলার উচ্চবর্গীয় রাজনীতির নয়া সমীকরণ

দিব্যেন্দু ঘোষ: ভারতের লৌকিক ও জনজাতি সংস্কৃতির ইতিহাসে করম উত্সব শুধুই সামাজিক আচার বা কৃষিভিত্তিক অনুষ্ঠানমাত্র নয়; এটি প্রকৃতি এবং মানুষের সহাবস্থানের শাশ্বত দলিল। ভাদ্র মাসের শুক্লা একাদশী তিথিতে পালিত এই পুজো মূলত ...

২০ সেপ্টে ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম · 3 মিনিট
বরফের চাদরের নীচে ভয়াবহ ছবি! এভারেস্টে জমছে টন টন আবর্জনা, বড় পদক্ষেপ নেপালের
Jazzbaat প্লাস

বরফের চাদরের নীচে ভয়াবহ ছবি! এভারেস্টে জমছে টন টন আবর্জনা, বড় পদক্ষেপ নেপালের

অঙ্কন দাস: কেউ বলেন সাগরমাথা, কেউ বলেন চোমোলাংমা। আসলে এগুলি যার নাম, সেটি বিশ্বের বৃহত্তম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট। হিমালয় পর্বতমালার মহালাঙ্গুর-হিমাল উপ-শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত নেপাল ও চীনের (তিব্বত) সীমান্তে অবস্থিত এই...

১৪ সেপ্টে ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম · 2 মিনিট
বার্ধক্যের রুপোলি রোদ্দুর বেয়ে স্মৃতির অমল ধ্রুবতারা
Jazzbaat প্লাস

বার্ধক্যের রুপোলি রোদ্দুর বেয়ে স্মৃতির অমল ধ্রুবতারা

কবি জয় গোস্বামীর সেই চিরচেনা পঙক্তিগুলোর মতো মনে পড়ে যায়— স্মৃতির গভীরে থাকা সেই মানুষগুলোর কথা, যাঁরা আমাদের শৈশবকে ঋদ্ধ করেছেন।

১৩ সেপ্টে ২০২৬, ০৮:১৮ পিএম · 5 মিনিট

Top Comments (0)

No approved comments yet.