নিউজ ডেস্ক: চা শ্রমিকদের ২০ শতাংশ হারে পুজোর বোনাস দেওয়ার সুপারিশ করল রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে এমনটাই জানিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়,‘এই সরকার পাহাড় এর উন্নয়ন এ কাজ করবে আপনারা দেখে নেবেন। সবে ৪ মাস হল। আপনারা দেখবেন পাহাড় বাসী খুশি হবে।’
শুধু তাই নয়, বন্ধ হয়ে থাকা চা বাগানগুলি ফের খোলা হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। চা বাগান সংক্রান্ত সমস্যাগুলিও দ্রুত মেটানো হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অধীনে বাড়ি ৮৪৩৫ জনকে কালিম্পঙ জেলায় দেওয়া হবে। যাদের জমি রয়েছে কিন্তু বাড়ি নেই, তাদের বাড়ি তৈরির জন্য সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।'
আজ, মঙ্গলবার কালিম্পংয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। সেই মতো এদিন ১২ টা ১৫ নাগাদ মুখ্যমন্ত্রীর বিমান কলকাতা থেকে বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছয় ৷ তারপর সেখান থেকে হেলিকপ্টারে কালিম্পঙের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি ৷ এদিকে, আবহাওয়া ভালো থাকায় কালিম্পঙের দুরবিন গুম্বায় মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টার অবতরণের কথা ছিল ৷ কিন্তু হেলিপ্যাডের দৃশ্যমানতা একদম কম থাকায় মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টার অবতরণ করতে পারেনি ৷ তাই বাধ্য হয় উত্তরকন্যা থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী।
উত্তরবঙ্গের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস হল চা শিল্প। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় চা-বাগানকে কেন্দ্র করে বহু শ্রমিক পরিবারের জীবিকা নির্ভরশীল। পুজোর আগে বোনাস হাতে পাওয়ায় তাঁদের আর্থিক চাপ কিছুটা কমবে বলেই মনে করা হচ্ছে। জলপাইগুড়ি জেলার ৯০টি ছোট-বড় চা বাগানে একযোগে এই বোনাস চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ায় উৎসবের মরশুমে স্বস্তির হাওয়া বইছে ডুয়ার্সের চা বলয়ে।