একাধিক সুযোগ হাতছাড়া। তার পরও ইন্ডিয়ান আর্মিকে ১-০ গোলে হারিয়ে ডুরান্ড কাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল। রবিবার যুবভারতীতে লাল-হলুদকে শেষ পর্যন্ত জয় এনে দিল পিভি বিষ্ণুর প্রথমার্ধের গোল। তবে ম্যাচে একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট হওয়ায় সমর্থকদের জন্য চিন্তার যথেষ্ট কারণ রেখে গেল আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দল।
এ দিন গোলরক্ষক প্রভসুখন গিলকে বিশ্রাম দিয়েছিলেন কোচ হাবাস। তাঁর জায়গায় পোস্টের নীচে ছিলেন ফুরবা টেম্পা লাচেম্পা। শুরু থেকেই আক্রমণে ওঠে ইস্টবেঙ্গল। ষষ্ঠ মিনিটেই দানি রামিরেজের সামনে সহজ সুযোগ এলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। উল্টো দু’মিনিট পর লাচেম্পার দুরন্ত সেভে বিপদমুক্ত হয় লাল-হলুদ। শেষ পর্যন্ত ৩৯ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলটি আসে। বাঁ দিক থেকে ইকোনোমিডিসের নিখুঁত ক্রস থেকে দুরন্ত হেডে বল জালে জড়িয়ে দেন বিষ্ণু।
গোলের পর উচ্ছ্বাসে সেলিব্রেট করতে গিয়ে পায়ে চোটও পান তিনি। তবে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ফের মাঠে নামেন। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়ানোর একাধিক সুযোগ পেয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। জেসিন টিকে একাধিকবার গোলের কাছাকাছি পৌঁছেও ব্যর্থ হন। ৭৯ মিনিটে তাঁর সামনে ছিল একেবারে সহজ সুযোগ। পরে বিপিনকে বাড়ানো বল থেকেও গোল হয়নি। ৮৭ মিনিটেও সুযোগ নষ্ট করে লাল-হলুদ। শেষ দিকে মরিয়া হয়ে আক্রমণে ঝাঁপায় ইন্ডিয়ান আর্মি। বেশ কয়েক বার ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণে চাপ তৈরি করলেও গোল করার মতো ফিনিশিংয়ের অভাবেই আটকে যায় তারা।
উল্লেখ্য, গ্রুপ পর্বে টানা ৩ ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল ইন্ডিয়ান আর্মি। অন্য দিকে শক্তিশালী গ্রুপ ‘এ’-তে দ্বিতীয় হয়ে শেষ আটের টিকিট পেয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। অতঃপর ডুরান্ডের শেষ চারেও জায়গা করে নিল লেসলি ক্লডিয়াস সরণির ক্লাব। বিষ্ণুর প্রথমার্ধের একমাত্র গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করেছে। যদিও সেমিফাইনালের আগে গোল করার সুযোগ কাজে লাগানোর দিকটি নিয়ে হাবাসকে নিশ্চয়ই ভাবতে হবে।