ইংলিশ ফুটবল থেকে ইউরোপ, গোলের পর গোল করে সর্বত্রই ইতিহাস লিখে চলেছেন আর্লিং হালান্ড। ম্যানচেস্টার সিটির নরওয়েজীয় স্ট্রাইকারকে এ বার ৪টি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের শংসাপত্র দিয়ে সম্মান জানানো হল। নতুন মরশুম শুরুর আগে তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এই স্বীকৃতি। প্রিমিয়ার লিগ, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং উয়েফা নেশনস লিগ, তিন প্রতিযোগিতাতেই তাঁর অবিশ্বাস্য গোল করার ক্ষমতার স্বীকৃতি মিলেছে গিনেস বুকের তরফে।
প্রিমিয়ার লিগে দ্রুততম ১০০ গোলের মাইলফলক ছোঁয়ার রেকর্ডটি হালান্ডের দখলে। ২০২৫ সালের ২ ডিসেম্বর ফুলহ্যামের বিরুদ্ধে পেনাল্টি থেকে গোল করে মাত্র ১১১ ম্যাচে একশো গোল পূর্ণ করেন তিনি। ২০২২-২৩ মরশুমে ম্যাঞ্চেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই গোলের বন্যা বইয়ে দিয়েছেন এই নরওয়েজীয় তারকা। ইংল্যান্ডের ফুটবলে এত কম ম্যাচে কোনও ফুটবলার ১০০ গোলের গণ্ডি পার করতে পারেননি।
সিটির হয়ে প্রথম মরশুমেই আরও একটি বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন হালান্ড। ৩৮টি প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচে ৩৬ গোল করে ভেঙে দেন মহম্মদ সালাহর ৩২ গোলের রেকর্ড। একই সঙ্গে পিছনে ফেলেন অ্যান্ডি কোল এবং অ্যালান শিয়েরারের ৩৪ গোলের নজিরও। আন্তর্জাতিক ফুটবলেও থামেনি তাঁর দাপট। ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে নেশনস লিগে ১৯ গোল করে প্রতিযোগিতাটির সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন তিনি।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও রয়েছে তাঁর বিশ্বরেকর্ড। ২০২৩ সালের ১৪ মার্চ আরবি লাইপজিগের বিরুদ্ধে এক ম্যাচে পাঁচটি গোল করে লিওনেল মেসি এবং লুইস আদ্রিয়ানোর নজিরে ভাগ বসান হালান্ড। ২০২৬ বিশ্বকাপেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর নতুন মরশুমে ফিরছেন তিনি। ম্যানচেস্টার সিটির নতুন কোচ এনজ়ো মারেস্কার অধীনে প্রথম বড় পরীক্ষা হতে পারে আর্সেনালের বিরুদ্ধে কমিউনিটি শিল্ড। তবে বিশ্বকাপের পর দীর্ঘ ছুটির শেষে বৃহস্পতিবারই অনুশীলনে ফেরায় সেই ম্যাচে হালান্ড খেলবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।