ভারতীয় দলে মহম্মদ শামির প্রত্যাবর্তন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অভিজ্ঞ পেসারকে দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে রাখা নিয়ে যখন প্রশ্ন উঠছে, তখন তাঁর পাশে দাঁড়ালেন ভারতের প্রাক্তন প্রধান নির্বাচক এমএসকে প্রসাদ। শুধু নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আসন্ন সিরিজ নয়, অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ভারতীয় দলেও শামিকে দেখতে চান তিনি। পাশাপাশি ২০২৭ সালের এক দিনের বিশ্বকাপের পরিকল্পনায় এই অভিজ্ঞ পেসারকে বিবেচনা করার পক্ষেও সওয়াল করেছেন প্রসাদ।
সম্প্রতি নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য ভারতীয় দলে জায়গা পেয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার। ২০২২ সালের পর জাতীয় দলে ফিরছেন অভিজ্ঞ এই ডানহাতি পেসার। আইপিএলে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট নেওয়ার দক্ষতার সুবাদে তাঁর প্রত্যাবর্তন নিয়ে ক্রিকেটমহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। ভুবনেশ্বরের শেষ কয়েকটি আইপিএল মরসুমের পারফরম্যান্সকে গুরুত্ব দিয়ে এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রসাদ। তাঁর মতে, আইপিএলের শেষ তিন-চারটি মরসুমে ৭২টি উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব ভুবনেশ্বরকে জাতীয় দলে ফেরার দাবিদার করে তুলেছে। প্রসাদ জানিয়েছেন, এক দিনের ক্রিকেটে ভুবনেশ্বরের ভূমিকা নিয়ে তিনি নিশ্চিত নন, তবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তাঁর অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা এখনও কার্যকর হতে পারে।
ভুবনেশ্বরের প্রত্যাবর্তন ঘিরে আলোচনা চললেও শামির দলে না থাকা নিয়েই বেশি প্রশ্ন উঠছে। প্রসাদের মতে, ২০১৫, ২০১৯ এবং ২০২৩ সালের এক দিনের বিশ্বকাপে শামির পারফরম্যান্সই তাঁর দক্ষতার প্রমাণ। তাই তাঁকে ফের জাতীয় দলে সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি নির্বাচকদের গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা উচিত। প্রসাদ বলেছেন, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজে শামিকে দেখতে তিনি আগ্রহী। একই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজেও এই পেসারের খেলার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি। তাঁর মতে, অতীতের বিশ্বকাপগুলিতে শামির অবদান এবং সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সকে উপেক্ষা করা উচিত নয়। শামির পাশে দাঁড়িয়েছেন ভারতের প্রাক্তন বোলিং কোচ ভরত অরুণও। তাঁর বক্তব্য, ভারতীয় ক্রিকেটে শামি ইতিমধ্যেই নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন। জাতীয় দলে ফেরার জন্য তাঁকে নতুন করে কিছু প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। নির্বাচকদের উচিত তাঁর বর্তমান ফর্ম বিচার করে সিদ্ধান্ত নেওয়া।




