ইউরোপীয় ফুটবলের মঞ্চে নাটকীয় জয় তুলে নিল সান্ডারল্যান্ড ও জুভেন্তাস। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল করে জয় নিশ্চিত করল দুই দলই। অন্য দিকে, দুরন্ত পারফরম্যান্সে সালজবুর্গকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিল এসি মিলান। একই ব্যবধানে লেক পোজনানকে হারিয়ে বড় জয় পেয়েছে বায়ার লেভারকুসেনও। ইউরোপের মঞ্চে নিজেদের প্রথম ঘরের ম্যাচে ৩-০ গোলে জিতেছে বোর্নমাউথ। তবে জয়ের মুখ দেখেনি আর এক ইংরেজ ক্লাব ক্রিস্টাল প্যালেস। লিয়ঁর কাছে ২-৩ গোলে হারতে হয়েছে তাদের।
পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের দল তোরেন্সের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই দাপট দেখায় সান্ডারল্যান্ড। কিন্তু ম্যাচের ৩৭ মিনিটে ভলনেই ফেলতেসের দুরন্ত শটে এগিয়ে যায় পর্তুগিজ দল। বিরতির পর আক্রমণের গতি বাড়ায় সান্ডারল্যান্ড। জুলেস আহোকা গোল করে সমতা ফেরান। এরপর নির্ধারিত সময়ের শেষেও ম্যাচের ফল বদলায়নি। অতিরিক্ত সময়ে গ্রানিত জাকার পাস থেকে নোয়াহ সাদিকির ভলি সান্ডারল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে জয় এনে দেয়। ১৯৭৩ সালের পর ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় ফিরেই এমন জয় পেল ইংল্যান্ডের ক্লাবটি।
জুভেন্তাসও সেল্তা ভিগোর বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে জেতে। পাল্টা আক্রমণ থেকে হুগো আলভারেসের গোলে এগিয়ে যায় সেল্তা। পরে নিক ভল্টেমাডে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের ভুল কাজে লাগিয়ে সমতা ফেরান। অতিরিক্ত সময়ে কোলো মুয়ানির হেডে জয় নিশ্চিত করে ইতালির ক্লাবটি। এসি মিলানের হয়ে নজর কেড়েছেন ১৯ বছরের আলফাদজো সিসে। তাঁর হ্যাটট্রিকে ৪-০ গোলে জয় পায় মিলান। ম্যাচের শুরুতেই হেডে প্রথম গোল করেন তিনি। প্রথমার্ধের শেষ দিকে কাছ থেকে দ্বিতীয় গোল এবং বিরতির পর ডান পায়ের শটে তৃতীয় গোলটি করেন তরুণ ফুটবলার। পরে পরিবর্ত হিসেবে নামা গনসালো রামোস ব্যবধান বাড়ান। শেষ দিকে ফিলিপ্পো তেরাচ্চিয়ানোর লাল কার্ড দেখায় একজন কম নিয়ে খেলতে হয় মিলানকে। তবু সালজবুর্গ সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। লেক পোজনানকে ৪-০ গোলে হারানো লেভারকুসেনের হয়ে পেনাল্টি থেকে দু’টি গোল করেন প্যাট্রিক শিক। অন্য দিকে, লিয়ঁর কাছে হেরে যায় ক্রিস্টাল প্যালেস। বোর্নমাউথের হয়ে ইভানিলসন, রায়ান ও আলভারো রদ্রিগেজ গোল করেন।




