নিউজ ডেস্ক : তৃণমূল কংগ্রেসের ছাত্র ও যুব শাখার পূর্বনির্ধারিত সমাবেশকে ঘিরে তপ্ত হয়ে উঠল শহরের রাজপথ। শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি বানচাল করতে সকাল থেকেই পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে এলাকা অবরুদ্ধ করার পাশাপাশি কর্মীদের জোরপূর্বক আটক করার অভিযোগ তুললেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।তাঁর দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই তাঁদের এই কর্মসূচির পথ আটকানোর চেষ্টা চলছে।
এদিন সকালে নির্ধারিত কর্মসূচিস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, "এটি সম্পূর্ণভাবে আমাদের ছাত্র এবং যুব সংগঠনের অনুষ্ঠান, এরা সবাই 'দিদির সৈনিক'। কিন্তু সকাল থেকেই গোটা এলাকা কার্যত ঘিরে ফেলা হয়েছে। পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নামিয়ে দফায় দফায় রুট মার্চ করানো হচ্ছে।"
https://x.com/ians_india/status/2109942665228026271
এখানেই শেষ নয়, দলের নেতাকর্মীদের উপর সরাসরি প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ এনে তিনি আরও যোগ করেন, বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যে সমস্ত কর্মী-সমর্থকরা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসছিলেন, তাঁদের পথেই আটকে দেওয়া হচ্ছে। এমনকী বেশ কয়েকজন কর্মীকে বিনাকারণে আটক ও তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
প্রশাসনিক অতিসক্রিয়তাকেও তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি। তাঁর মতে, একটি স্বাভাবিক ও গণতান্ত্রিক ছাত্র-যুব সমাবেশকে বাধাগ্রস্ত করতেই এমন রণক্ষেত্রের মতো পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে।
তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, ছাত্র ও যুবশক্তির এই জমায়েতকে ভয় পেয়েই কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সাধারণ কর্মীদের এভাবে পথ আটকে কিংবা ভয় দেখিয়ে আটক করে রাখা যাবে না বলেও কড়া বার্তা দেন তিনি। অন্যদিকে, এই অভিযোগ ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই শোরগোল শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
বিরোধীদের দাবি, আইনশৃঙ্খলার ভারসাম্য বজায় রাখতেই হয়তো নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছিল। তবে দিনভর টানটান উত্তেজনার মাঝে ছাত্র-যুবদের জমায়েত রুখতে বাহিনীর এই ‘অতিসক্রিয়তা’ নিয়ে বাড়ছে রাজনৈতিক চাপানউতোর ।