নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে বিরোধীদের ‘ডেমোক্রেসি মার্চ’ ঘিরে উত্তেজনা! সুপ্রিম কোর্টের উদ্দেশে প্রস্তাবিত মিছিলে যোগ দিতে দিল্লি যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন মধ্যপ্রদেশের একাধিক কংগ্রেস নেতা। কিন্তু তার আগেই তাঁদের আটক করার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। রবিবার গভীর রাতে মোরেনার একটি হোটেল থেকে কংগ্রেস নেতাদের পাশাপাশি দলের কর্মীদেরও পুলিশ জোর করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। সোমবার দিল্লিতে বিরোধীদের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এই ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
দিল্লি যাওয়ার প্রস্তুতি, রাতেই হোটেলে পুলিশ
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিরোধীদের ‘দিল্লি মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মোরেনা ও ভিন্ড জেলার কংগ্রেস নেতারা দিল্লি যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। এই কর্মসূচির লক্ষ্য সুপ্রিম কোর্টের উদ্দেশে মিছিল করা। রবিবার রাতে মোরেনার একটি হোটেলে দলীয় কর্মীদের নিয়ে জড়ো হয়েছিলেন তাঁরা। সেখানেই দিল্লি যাওয়ার প্রস্তুতি চলছিল।
অভিযোগ, রাত গভীর হতেই ওই হোটেলে পৌঁছয় পুলিশ। এরপর মোরেনা গ্রামীণ জেলা কংগ্রেস সভাপতি মধুরাজ সিং তোমর, জেলা সভাপতি গজেন্দ্র জাটব এবং ভিন্ড জেলা কংগ্রেস সভাপতি ধর্মেন্দ্র ভাদৌরিয়াকে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নিয়ে যায়। তাঁদের সঙ্গে উপস্থিত দলীয় কর্মীদেরও নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
কেন আটক? উঠছে প্রশ্ন
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, ঠিক কী কারণে কংগ্রেস নেতাদের আটক করা হল? তাঁদের দিল্লি যাত্রা আটকাতেই কি এই পদক্ষেপ, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে?
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পুলিশের তরফে এখনও পর্যন্ত এই পদক্ষেপের কারণ সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। এমনকী, আটক নেতাদের কতক্ষণ হেফাজতে রাখা হবে, সেই বিষয়েও স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। ফলে গোটা ঘটনাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।
বিরোধীদের কর্মসূচির আগে বাড়ছে উত্তেজনা
সোমবার দিল্লিতে বিরোধীদের ‘ডেমোক্রেসি মার্চ’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিস্থিতি এমনিতেই উত্তপ্ত। তার মধ্যেই মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেস নেতাদের আটক করার অভিযোগ নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিরোধীদের গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথেই বাধার মুখে পড়তে হল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
তবে এই ঘটনার সমস্ত দিক এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে না আসা পর্যন্ত আটকের কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয়। আপাতত নজর রয়েছে আটক নেতাদের পরবর্তী অবস্থান এবং মধ্যপ্রদেশ পুলিশের প্রতিক্রিয়ার দিকে।
