রাজ্যের নিরাপত্তার দায়িত্ব যাদের কাঁধে ন্যস্ত থাকে, তারা হলেন পুলিশ। তাদের সমর্থন এবং সমন্বিত করার লক্ষ্যে প্রতিবছর আয়োজিত হয় এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠান। পুলিশি ভাষায় এর নাম 'বড়া খানা'।সেই বড়া খানা'র অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান তথা পুলিশ দপ্তরের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
বৃহস্পতিবার বারাকপুরের স্বামী বিবেকানন্দ রাজ্য পুলিশ অ্যাকাডেমিতে আয়োজিত 'বড়া খানা' কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে রাজ্য পুলিশকে দেশের সেরা বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।দুপুর ২টো নাগাদ অ্যাকাডেমিতে পৌঁছালে মুখ্যমন্ত্রীকে 'গার্ড অফ অনার' জানানো হয়।
এটি মূলত ২০২২ সালের উত্তীর্ণ ব্যাচের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান হলেও, মূল আকর্ষণ ছিল বার্ষিক এই প্রথাগত ভোজ। অনুষ্ঠানমঞ্চের আনুষ্ঠানিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী সমস্ত পুলিশকর্মী ও আধিকারিকদের সঙ্গে একই সারিতে বসে মধ্যাহ্নভোজ সারেন। মেনুতে ছিল ভাত, ডাল, আলুভাজা, ফিশফ্রাই থেকে শুরু করে মিষ্টিমুখের জন্য রসগোল্লা।
বিধানসভা নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দুর্নীতি দমনে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, নানা সামাজিক ও আর্থিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও রাজ্য পুলিশ নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছে। রাজ্যের বর্তমান আর্থিক সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করেও তিনি জানান, তাঁর লক্ষ্য পশ্চিমবঙ্গের পুলিশকে দেশের শ্রেষ্ঠ পুলিশ বাহিনীতে রূপান্তর করা।
কর্মীদের উৎসাহিত করে তিনি আশ্বস্ত করেন, পুলিশমন্ত্রী হিসেবে তিনি সর্বতোভাবে বাহিনীর পাশে রয়েছেন। উক্ত অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা সহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। পুলিশকর্মীদের সঙ্গে একসাথে আহার গ্রহণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ বার্তার মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী কার্যত স্পষ্ট করে দিলেন যে বাহিনীর মনোবল বাড়াতে এবং তাঁদের স্বার্থরক্ষায় রাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।




