নয়াদিল্লি: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিরোধীদের প্রতিবাদ এবার সংসদ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার বার্তা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ সাগরিকা ঘোষ। রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে INDIA জোটের প্রতিবাদ কর্মসূচির আগে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, শুধু সভা-মিছিল করে থেমে থাকলে চলবে না। রামলীলা ময়দানে যে প্রতিবাদের আওয়াজ উঠবে, তা সংসদের ভিতরেও পৌঁছে দিতে হবে।
সংবাদ সংস্থা PTI-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাগরিকা ঘোষ বলেন, রামলীলা ময়দানের এই সমাবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এর প্রভাব যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ হবে। তাঁর বক্তব্য, এই প্রতিবাদকে পরবর্তী পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে সংসদের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। বিশেষ করে আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে বিষয়টি নিয়ে যথাযথ আলোচনা ও পদক্ষেপ হওয়া প্রয়োজন।
সাগরিকা ঘোষের কথায়, রামলীলা ময়দানের মঞ্চ থেকে যে দাবি এবং প্রতিবাদের বার্তা দেওয়া হবে, তা সংসদে বহন করে নিয়ে যেতে হবে। শীতকালীন অধিবেশনে আনুষ্ঠানিক সংসদীয় প্রক্রিয়া শুরু করে জ্ঞানেশ কুমারকে তাঁর পদ থেকে অপসারণের ব্যবস্থা করতে হবে। তবে সেই প্রক্রিয়া অবশ্যই নির্ধারিত সাংবিধানিক ও আইনি নিয়ম মেনেই সম্পন্ন হওয়া উচিত বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।
রবিবার INDIA জোটের ডাকা এই প্রতিবাদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই দিল্লিতে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন বিরোধী দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা রামলীলা ময়দানের দিকে এগোতে শুরু করেছেন। এর আগে ছাত্র সংগঠন SFI-এর সদস্যরাও সুরজিৎ ভবন থেকে মিছিল করে সমাবেশে যোগ দিতে রওনা হন।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, কনট প্লেস-মিন্টো রোড সংযোগস্থল থেকে দুপুর ১২টায় 'দিল্লি চলো' কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা। সেখান থেকে বিরোধী শিবিরের নেতা-কর্মীরা রামলীলা ময়দানের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
সব মিলিয়ে, এদিনের সমাবেশকে শুধু একটি প্রতিবাদ মিছিল হিসেবে দেখছে না বিরোধী শিবির। সাগরিকা ঘোষের বক্তব্যে স্পষ্ট, রামলীলা ময়দানের রাজনৈতিক কর্মসূচির পর সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেও এই ইস্যুতে সরব হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে INDIA জোটের।




