বীরভূম, রেশমি ব্যানার্জি: ঠান্ডা পানিয়োর আড়ালে মেশানো হয়েছিল মদ। আর সেই মদ খাইয়েই এক যুবতীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনাকে ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে বীরভূমের নলহাটিতে। মালদার এক যুবতীকে গেস্ট হাউসে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল বীরভূমের নলহাটি থানার এএসআই আজমল হকের বিরুদ্ধে।
যুবতীর অভিযোগের ভিত্তিতে বিধান নগর কমিশনারেটের পুলিশ ধৃত এএসআই আজমল হককে গ্রেফতার করেছে। তিনি নলহাটি থানার অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর পদে কর্মরত বলে জানা গিয়েছে।
অভিযোগ, যুবতীকে ঠান্ডা পানীয়ের সঙ্গে মাদকজাতীয় কিছু মিশিয়ে খাওয়ানো হয়। এরপর তাঁকে একটি গেস্ট হাউসে নিয়ে গিয়ে আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ। সেখানেই অভিযুক্ত এএসআই তাঁর উপর যৌন নির্যাতন করে বলে অভিযোগ করেন ওই যুবতী।
ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই তড়িঘড়ি ব্যবস্থা গ্রহণ করে পুলিশ। তদন্তের ভিত্তিতে আজমল হককে গ্রেফতার করা হয়। কিভাবে ওই যুবতীর সঙ্গে অভিযুক্তের পরিচয় হয়েছিল, তাঁকে কিভাবে ওই গেস্ট হাউসে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
সমাজে যারা আইনের রক্ষক সেই পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধেই এমন গুরুতর অভিযোগ। এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযুক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ। ওই যুবতীর মানসিক অবস্থা একেবারেই ভালো নয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।