ভ্রমণ মানেই শুধু পাহাড়-সমুদ্র দেখা কিংবা নিরিবিলি জায়গায় সময় কাটানো নয়। অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের কাছে ভ্রমণের অর্থ আরও একটু বেশি রোমাঞ্চ,উত্তেজনা এবং নতুন অভিজ্ঞতা। তাই বেড়াতে গিয়ে যদি রোমাঞ্চকর কিছু করতে চান, তাহলে বেছে নিতে পারেন জিপলাইনিং, বাঞ্জি জাম্পিং, রিভার রাফটিং কিংবা স্কুবা ডাইভিংয়ের মতো অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস।
জিপলাইনিং: উঁচু জায়গা থেকে তারের মাধ্যমে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দ্রুত চলে যাওয়ার এই অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসটি বেশ জনপ্রিয়। পাহাড়ি এলাকা বা জঙ্গলের মধ্যে জিপলাইনিং করলে উপর থেকে প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখার সুযোগও মেলে। ভারতের বিভিন্ন পাহাড়ি পর্যটনকেন্দ্রে এই অভিজ্ঞতা নেওয়া যায়।
বাঞ্জি জাম্পিং: উচ্চতা ও রোমাঞ্চ—দুইয়ের মিশেল বাঞ্জি জাম্পিং। একটি নির্দিষ্ট উচ্চতা থেকে সুরক্ষা দড়ির সাহায্যে নিচে ঝাঁপ দিতে হয়। ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় অ্যাডভেঞ্চার ডেস্টিনেশন ঋষিকেশে বাঞ্জি জাম্পিংয়ের পাশাপাশি রাফটিং ও ক্যাম্পিংয়ের সুযোগও রয়েছে।
রিভার রাফটিং: উত্তাল নদীর স্রোতকে সঙ্গী করে নৌকায় ভেসে চলার অভিজ্ঞতা পেতে চাইলে রিভার রাফটিং হতে পারে আদর্শ। পাহাড়ি নদীর স্রোত, পাথর আর একের পর এক র্যাপিড পেরিয়ে এগিয়ে চলার এই অভিজ্ঞতা অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের কাছে বেশ আকর্ষণীয়। ঋষিকেশ ভারতের অন্যতম পরিচিত রাফটিং গন্তব্য।
স্কুবা ডাইভিং: স্থলভাগের বাইরে সমুদ্রের নীচের জগৎ দেখতে চাইলে স্কুবা ডাইভিংয়ের বিকল্প নেই। অক্সিজেনের ট্যাঙ্ক সঙ্গে নিয়ে জলের নীচে নেমে সামুদ্রিক প্রাণী, প্রবালপ্রাচীর ও পানির নীচের বৈচিত্র্যময় জগৎ দেখার সুযোগ মেলে।
প্যারাগ্লাইডিং: আকাশে উড়ে পাহাড়, উপত্যকা কিংবা সমুদ্রের সৌন্দর্য দেখার অভিজ্ঞতা পেতে প্যারাগ্লাইডিংও বেছে নিতে পারেন। বিশেষ করে পাহাড়ি অঞ্চলগুলি প্যারাগ্লাইডিংয়ের জন্য জনপ্রিয়।