নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনে বারাকপুরবাসীর জন্য বড় সুখবর। এবার স্টপেজ বাড়ল বীরভূমগামী মা তারা এক্সপ্রেসের। শিয়ালদহ থেকে রামপুরহাট পর্যন্ত চলাচলকারী এই এক্সপ্রেস ট্রেন এবার থেকে বারাকপুর স্টেশনেও দাঁড়াবে। এতদিন শিয়ালদহ থেকে রামপুরহাটগামী এই ট্রেন বারাকপুরে না দাঁড়ানোয় যাত্রীদের অন্য ট্রেনের উপর নির্ভর করতে হত। বিশেষ করে বীরভূমের তারাপীঠ-সহ বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে এই ট্রেনের স্টপেজ বারাকপুরের যাত্রীদের জন্য সুবিধাজনক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে এই খবর জানান বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী। তাঁর দাবি, বারাকপুর স্টেশনে মা তারা এক্সপ্রেসের স্টপেজ দেওয়ার বিষয়ে রেল বোর্ডের অনুমোদন মিলেছে। আগামী সোমবার অথবা মঙ্গলবার থেকেই পরীক্ষামূলকভাবে বারাকপুর স্টেশনে ট্রেনটি দাঁড়াতে পারে। পাশাপাশি
বারাকপুর স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য বাড়িয়ে আরও দূরপাল্লার ট্রেন দাঁড় করানোর উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন বিধায়ক।
রেল বোর্ডের অনুমোদনের খবর সামনে আসতেই বারাকপুরের যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে স্টপেজ চালু হওয়ার পর পরবর্তী সময়ে তা নিয়মিত পরিষেবার অংশ হবে কি না, সে বিষয়েও রেলের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে স্টপেজ চালু হলে বারাকপুর থেকে রামপুরহাটগামী যাত্রীদের যাতায়াতে সময় ও সুবিধা—দুই ক্ষেত্রেই পরিবর্তন আসতে পারে।
সম্প্রতি, বরানগর-ব্যারাকপুর মেট্রো করিডরের পিঙ্ক লাইনে ছাড়পত্র দিল কলকাতা পুরসভা। প্রস্তাবিত পিঙ্ক লাইনে সোদপুর, পানিহাটি, সুভাষনগর-সহ মোট ১১টি স্টেশন থাকার কথা। ব্যারাকপুর-বানারগর মেট্রো চালু হলে ব্যারাকপুর ট্রাঙ্ক রোডে চাপ কমবে। বর্তমানে এদিক থেকে যাঁরাই কলকাতায় আসেন, তাঁদের ভরসা বাস, অটো এবং লোকাল ট্রেন। অফিস টাইমে এই রাস্তায় গাড়ির চাপে প্রতিদিন ভোগান্তি হয় নিত্যযাত্রীদের। মেট্রো চালু হলে বেশ দ্রুত ও আরামদায়ক যাতায়াতের রুট তৈরি হয়ে যাবে।
অন্যদিকে, মোদীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে বৃষ্টির মধ্যেও গঙ্গার পাড়ে জ্বলে উঠল সারি সারি প্রদীপ। বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন রাম মাঝি। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্য তাপস রায়, ইন্দ্রনীল খান, কলকাতার পুর-প্রশাসক স্মিতা পান্ডে এবং উচ্চপদস্থ পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকেরা। বৃষ্টিস্নাত পরিবেশের মধ্যেও কর্মসূচিকে ঘিরে ছিল চোখে পড়ার মতো উৎসাহ। গঙ্গার ধারে একের পর এক প্রদীপ জ্বলে উঠতেই তৈরি হয় আলোর আবহ। (নিজস্ব সংবাদদাতা)