শালবনি জমি দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ পাওয়ার পর সিআইডি দফতরে হাজির হন সুমিত রায়। শনিবার সকাল সকাল ১০টার কিছু আগে ভবানী ভবনে পৌঁছন তিনি। এই সে-ই সুমিত রায়ের খোঁজে একপ্রকার কালঘাম ছুটেছিল পুলিশের। একের পর এক মামলা, তবুও বেপাত্তা ছিলেন তিনি। যাঁর খোঁজে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে হানা দিয়েছিল শালবনি থানার পুলিশ। ঠিক কী কী অভিযোগ রয়েছে সুমিতের বিরুদ্ধে?
পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনিতে সরকারি জমি ভুয়ো নথিপত্র তৈরি করে জবরদখল ও বেআইনিভাবে বিক্রির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছিল সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় প্রতারণা, জালিয়াতি, জাল নথি ব্যবহার এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মতো অভিযোগে মামলা হয়। এই গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে পুলিশ সুমিত রায়ের নাগাল পাওয়ার চেষ্টা করলেও তাঁর কোনো সঠিক হদিশ মেলেনি। এমনকি সুমিতের খোঁজে কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও পুলিশ গিয়েছিল।
শুধু জমি জালিয়াতি নয়, একাধিক দুর্নীতির মামলায় নাম রয়েছে সুমিত রায়ের। শুধুমাত্র ডায়মন্ড হারবারেই চারটি মামলা রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। মাটি চুরি, সেবাশ্রয় সংক্রান্ত মামলা রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ ডেবরা থানায়। আমফানে ত্রাণ বণ্টন নিয়েও সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। বিষ্ণুপুর থানায় দায়ের অভিযোগে ত্রাণসামগ্রী বণ্টনে অনিয়ম এবং বিপুল আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়েছে।