পাকিস্তানে এইচআইভি নিয়ে উদ্বেগ! ঘটনায় তদন্ত ও ক্ষতিপূরণের নির্দেশ আদালতের। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই করাচির হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ৬ শিশুর ও ৯৮ জন শিশুর সংক্রামিত হওয়ার তথ্য সামনে এসেছে। আর এই ঘটনাটিতে বাড়ছে উদ্বেগ।
বিষয়টি গড়িয়েছে আদালতেও। আইনজীবী তারিক মনসুর মে মাসে সিন্ধু হাইকোর্টে একটি পিটিশন দাখিল করেছিলেন। সেই মামলার শুনানিতেই সিন্ধু হাইকোর্টের দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ বৃহস্পতিবার প্রাদেশিক মুখ্য সচিবকে পুরো বিষয়টির একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত করার নির্দেশ দেয়।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রথম এই এইচআইভি সংক্রমণের ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে বলে জানা গেছে। এর পরেই সিন্ধু স্বাস্থ্য দফতর SESSI পরিচালিত করাচির কুলসুম বাই ভালিকা হাসপাতাল ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে পরীক্ষা চালায়। সেই পরীক্ষার রিপোর্টেই উঠে আসে এক চঞ্চল্যকর চিত্র। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং ৯৪ জন শিশুর দেহে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, আশপাশের এলাকা থেকেও আরও অন্তত ১২০ জন সংক্রমিত বলে চিহ্নিত হন। তবে আইনজীবী তারিক মনসুরের দাখিল করা পিটিশনে দাবি করা হয়,আক্রান্ত শিশুর মোট সংখ্যা প্রায় ২০০ হতে পারে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে জমা দেওয়ার রিপোর্টে বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট নয়। যেমন-সঠিক কত জনের মধ্যে এই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে? কিভাবে এই সংক্রমণ ছড়াচ্ছে ? সংক্রমণ রোধের সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে কিনা ? সঠিক নিয়ম মেনে কাজ হচ্ছে কিনা এই বিষয়গুলি এখনও স্পষ্ট নয়। তাই প্রকৃত দোষীরা যাতে শাস্তি পায়, নিরপেক্ষ তদন্ত হয় এবং সাধারন মানুষের আস্থা বজায় থাকে তার জন্য আরও তদন্ত প্রয়োজন। তবে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের চিকিৎসা এবং উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।