নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে তাঁকে সরিয়ে ফেলার ষড়যন্ত্র চলছে। আর সেই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে নাকি দলের কয়েকজন নেতাও জড়িত। এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে এবার সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন কেন্দ্রীয় আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রী তথা বিজেপির প্রবীণ নেতা জুয়েল ওরাম। উড়িষ্যায় তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
মন্ত্রীর অভিযোগ, অন্য রাজনৈতিক দল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া কয়েকজন নেতা অর্থের সাহায্যে তাঁর বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালাচ্ছেন। তাঁর দাবি, তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করা এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভা থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়াই মূল লক্ষ্য এই অপপ্রচারের।
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক লড়াইয়ের মাধ্যমে তিনি উড়িষ্যায় বিজেপির সংগঠন গড়ে তুলেছেন। তাই তাঁর বিরুদ্ধে কোনও অপপ্রচার চালালে তিনি তা কোনভাবেই মেনে নেবেন না। এমনকি হুমকির সুরে তিনি বলেন, যে তাঁর সম্মানহানি করার চেষ্টা করবে, তাঁর হাত কেটে পুড়িয়ে দিতেও তিনি পিছুপা হবেন না । তাঁর এই মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।
এদিকে, সম্প্রতি রাউরকেল্লায় তাঁর ব্যক্তিগত প্রতিনিধি প্রকাশ পাসওয়ানকে অপরাধীদের সরকারি সার্কিট হাউসে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। সেই ঘটনার পরই দলের অভ্যন্তরীণ চক্রান্তের ঘটনা সামনে আনেন মন্ত্রী। তিনি জানান, এই ঘটনাকে কাজে লাগিয়ে কয়েকজন বিজেপি নেতা, তাঁর ভাবমূর্তি সাধারণ মানুষের কাছে নষ্ট করার চেষ্টা করছেন।
সেইসঙ্গে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এমন বক্তব্য ঘিরে তীব্র সমালোচনা করে বিরোধীপক্ষরা। বিজেডির দাবি, এই মন্তব্য বিজেপির অভ্যন্তরীণ বিতর্ককে সামনে আনছে। কংগ্রেসও ওরামের বক্তব্যকে ঘিরে তীব্র আক্রমণ করে প্রশ্ন তুলে দাবি জানায়, একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ্যে কিভাবে এমন মন্তব্য করতে পারেন? সুন্দরগড়ের সাংসদ জুয়েল ওরামের এমন মন্তব্যে এখন সরগরম উড়িষ্যার রাজনৈতিক মহল। তবে, তাঁর এমন মন্তব্যে রাজ্য বিজেপি এখনও পর্যন্ত কোনোওরকম প্রতিক্রিয়া জানায়নি বলে জানা গিয়েছে।




