মাদক পাচারের অভিযোগে মালদা থেকে গ্রেফতার তিনজন পাচারকারী।এই অভিযানে সাফল্যের পর, অভিযানে যুক্ত পুলিশকর্মীদের প্রশংসা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বর্তমানে যুবসমাজকে মাদক মুক্ত করার লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার। সেই লক্ষ্যে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় চলছে চিরুনি তল্লাশি। গত মাসে মালদায় কুখ্যাত মাদক পাচারকারী মৃদুল ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তদন্ত করে পাকড়াও করা হয় মৃদুলের সহযোগী পিন্টু সরকার সহ দুই দুষ্কৃতীকে। উদ্ধার হয় ২কোটি ৪০লক্ষ টাকা।এছাড়াও উদ্ধার করা হয়েছে ৯০ লক্ষ টাকার কাশির ওষুধ এবং প্রায় ২০ গ্রাম সোনা।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তার 'এক্স হ্যান্ডেলে' লেখেন--'পশ্চিমবঙ্গে আন্তঃসীমান্ত মাদক চক্রের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান। মাদক, অপরাধ এবং অবৈধ চক্রের বিরুদ্ধে আমাদের সরকার কঠোর 'জ়িরো টলারেন্স নীতি' (শূন্য সহনশীলতা নীতি) মেনে চলে। পশ্চিমবঙ্গ তার যুবসমাজকে রক্ষা করতে এবং অপরাধী চক্র যাতে কখনোই আমাদের মাটিকে ব্যবহার করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে সর্বদা অবিচল। আন্তঃরাজ্য ও আন্তঃসীমান্ত মাদক চক্রের ওপর বড়সড় আঘাত হানার লক্ষ্যে চমৎকার যৌথ অভিযান পরিচালনার জন্য আমি দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদা জেলা পুলিশকে সাধুবাদ জানাই। গত মাসে কুখ্যাত পাচারকারী মৃদুল ঘোষকে গ্রেফতারের পর, দ্রুত ও তৎপর তদন্তের মাধ্যমে তার প্রধান সহযোগী পিন্টু সরকার এবং অন্য দুই অভিযুক্তকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। মালদা থানার অন্তর্গত মঙ্গলবাড়ির একটি জায়গায় সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে আমাদের সতর্ক পুলিশ আধিকারিকরা বিপুল পরিমাণ সামগ্রী উদ্ধার করেছেন নগদ অর্থ ২.৪ কোটি টাকা কাশির সিরাপ-- হাজার হাজার বোতল (কালোবাজারে যার মূল্য ৯০ লক্ষ টাকা) সোনা প্রায় ২০ গ্রাম। এই পুরো চক্রের হদিস পেতে এবং এর সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে নির্মূল করতে বর্তমানে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। সমস্ত অপরাধী গোষ্ঠীর কাছে এটি একটি স্পষ্ট বার্তা অবৈধ মাদক কারবারের বিরুদ্ধে আইনের পূর্ণ শক্তি প্রয়োগ করা হবে। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে লাগাতার জোরদার অভিযান চালানো হচ্ছে এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নিতকারীদের প্রতি কোনো নমনীয়তা দেখানো হবে না।'