পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে হারিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি।
রাজ্যে দীর্ঘ ১৫ বছর পর পালাবদল ঘটেছে। ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। এখন একদিকে কালীঘাট তৃণমূল অন্যদিকে ঋতব্রতীপন্থী তৃণমূল। যাদেরকে মূলত তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির' বলা হচ্ছে।
তবে এই ঋতব্রত-তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা দাবি করছেন, তাঁরাই আসল তৃণমূল। এবার আদালতের নথি দেখিয়ে একই কথা দাবি করলেন খোদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে আদালতের সেই নথির অংশ পড়ে শুনিয়ে বিরোধী দলনেতার দাবি, ২০২৬ সালের ২২ জুন বিশেষ অধিবেশনে যে জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি (ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি) গঠিত হয়েছিল, তারা ‘বৈধ’ সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। কেউ যদি আসল-নকল বিতর্ক তৈরি করতে চাইলে বলব, আদালতের এই রায় দেখে নিন। এই কমিটি বাদে কেউ নিজেদের তৃণমূল বলে দাবি করলে সেটা অবৈধ।
আদালতের রায়ের নথি দেখিয়ে ঋতব্রত দাবি করেন, পার্টি অফিস এবং দলীয় তহবিলের বিষয়টিও তাঁদের নিয়ন্ত্রণাধীন। পার্টির তহবিল অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারবেন না, পার্টি অফিসও ব্যবহার করা যাবে না। কেউ যদি অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন কমিটি ছাড়া অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের নামে কোনও কাজ করতে চান, সেটা পারবেন না।