একদিকে টানা তিন দিন ধরে সিআইডি দপ্তরে হাজিরা। অন্যদিকে আদালতে রক্ষাকবচের আবেদন। ক্রমাগতই চাপ বাড়ছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের। এরই মাঝে নতুন করে দায়ের হওয়ার চারটি অভিযোগের ঘটনার গ্রেপ্তারের আশঙ্কা প্রকাশ করে আবারো কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন সুমিত।
আইনজীবীর মাধ্যমে সোমবার আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। নতুন চারটি মামলার দ্রুত শুনানির আর্জি জানায় সুমিতির আইনজীবী। মামলা দায়ের করার অনুমতি মিলেছে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের তরফ থেকে। সুমিত রায়ের আইনজীবীর পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে মঙ্গলবার অন্য একটি মামলার সঙ্গে এই মামলার শুনানির। তার কথায়, তার মক্কেল সমস্ত দিক থেকেই তদন্তেই সহযোগিতা করছে। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে অন্য মামলায় আপাতত তার মক্কেলকে গ্রেপ্তার করা যাবে না। যদিও আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে দুটি মামলায় একসঙ্গে নয় আলাদা আলাদা ভাবেই শুনানি হবে।
সোমবারও ভবানী ভবনের সিআইডি দপ্তরে হাজিরা দেন সুমিত রায়। টানা তিন দিন জিজ্ঞাসাবাদ এর জন্য তলব করা হয় তাকে। ইতিপূর্বে জমি দুর্নীতি মামলায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিআইডি। সোমবার চাকরি দুর্নীতি মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। যদিও আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে দুটি মামলায় একসঙ্গে নয় আলাদা আলাদা ভাবেই শুনানি হবে।
চাকরির নামে প্রতারণা, জালিয়াতি এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ডেবরা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল সুমিতের বিরুদ্ধে। এর তদন্তভার গ্রহণ করেছে সিআইডি বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। সোমবার সেই মামলাতেই সুমিত রায়কে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে সিআইডি।
একাধারে আদালতে রক্ষাকবচের জন্য লড়াই, অন্যদিকে তদন্তকারীদের টানা জেরা। রীতিমতো সাঁড়াশি চাপে পড়েছে সুমিত রায়। ক্রমাগতই তদন্তের পরিধি বাড়ছে সুমিত রায়কে ঘিরে। আগামীদিনে তদন্তের মোড় কোন দিকে যায় সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্যবাসী।