শহিদ মিনারের সমাবেশে যোগ দিতে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হওয়া কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার রাত থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার এক বিবৃতিতে দাবি করেছেন, দুর্গাপুরের মুচিপাড়া এলাকায় কংগ্রেস কর্মীদের বহনকারী একটি বাস লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয় এবং বাসে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়।
কংগ্রেসের অভিযোগ, হামলার সময় বাসে থাকা কর্মী-সমর্থকদের আতঙ্কিত করার চেষ্টা করা হয়। ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট না হলেও বাসের ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ সামনে এসেছে। প্রদেশ কংগ্রেসের দাবি, এটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরেও একই ধরনের হামলার শিকার হয়েছেন কংগ্রেস কর্মীরা। সেখানে কলকাতামুখী কর্মীদের উপর আক্রমণ চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
শুভঙ্কর সরকার অভিযোগ করে বলেন, গণতান্ত্রিকভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে যাওয়া কর্মীদের উপর এ ধরনের হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কড়া আইনি পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, এই অভিযোগের বিষয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
পুলিশও এখনও পর্যন্ত ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে কি না, সে সম্পর্কেও সরকারি ভাবে কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে শহিদ মিনারের সভাকে ঘিরে একাধিক জায়গায় রাজনৈতিক উত্তেজনার আবহ তৈরি হওয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।