অনলাইন, অফলাইন করেও এখনো অ্যাকাউন্টে ঢোকেনি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা। কারো স্ট্যাটাস দেখাচ্ছে আন্ডার ইনকয়ারি, কারো আন্ডার প্রসেস। কারো আবার আগের মাসের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের তিন হাজার টাকা এলেও এ মাসে আর আসেনি।
কিন্তু কী কারণে তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে টাকা ঢুকছে না সেই প্রশ্ন তুলছেন পুরুলিয়া পৌরসভার পাঁচ নাম্বার ওয়ার্ডের মহিলারা। পুরসভায় গিয়েও খোঁজখবর নিয়েছেন কিন্তু কোনও সদুত্তর মেলেনি। অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে। কেন টাকা আটকে রয়েছে তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।
এই বিষয়ে বিজেপির পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের বুথ প্রেসিডেন্ট সৌমেন রক্ষিত পুরুলিয়া পুরসভার এক শ্রেণীর কর্মীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, দুর্নীতির আঁতুড়ঘড় পুরসভা। কিছু কর্মীর যোগ সাজসের জন্যই এই অবস্থা তৈরি হয়েছে। এমনকি তাঁর নিজের স্ত্রীরও অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে টাকা ঢোকেনি, তৃণমূল সরকারের আমলে দুয়ারে সরকারে তিনবার ফর্ম ফিলাপ করেও তাঁর স্ত্রীকে লক্ষী ভাণ্ডার দেওয়া হয়নি।
এবার অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। তিনি যেহেতু ফর্ম ফিলাপের কাজে যুক্ত ছিলেন তাঁকেও জবাবদিহি করতে হচ্ছে। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা না ঢুকলে এবার আন্দোলন ছাড়া উপায় নেই বলেও জানান তিনি।