নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ থেকে ভারতে নিষিদ্ধ মাদক পাচারের অভিযোগ। এক বাংলাদেশি কিশোরকে আটক করেছে BGB (Border Guard Bangladesh)। ঘটনাটি ঘটেছে মেঘালয় সংলগ্ন ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে। ঘটনাকে কেন্দ্রে ব্যাপ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রকাশ্যে এসেছে ঘটনার সেই মুহুর্ত।
বিজিপি সূত্রে খবর, সীমান্ত এলাকায় তল্লাশি চলাকালীন ওই কিশোরে দেখা যায়। সন্দেহজনক গতিবিধি নজরে আসার পর ওই কিশোরকে আটক করা হয়। তারপর তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে নিষিদ্ধ মাদকজাতীয় সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে বলেও দাবি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে ওই সামগ্রী নিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছিল কিশোরটি। কিন্তু, ভেস্তে যায় সমস্ত পরিকল্পনা।
দেখুন: https://x.com/souradeepSingho/status/2099497982374940942
উদ্ধার হওয়া সামগ্রী পরীক্ষা করে দেখার পাশাপাশি এর সঙ্গে কোনও পাচারচক্র জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমনকি, নিষিদ্ধ মাদক সামগ্রী কাকে দেওয়ার উদ্দেশে ভারতে যাচ্ছিল কিশোর? তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। আটক কিশোরের কাছ থেকে আরও তথ্য জানার চেষ্টা করছেন BGB আধিকারিকরা। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সম্প্রতি, অনুপ্রবেশের অভিযোগে উত্তপ্ত হয়েছিল ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ভারতের উত্তর দিনাজপুরে ঢোকার চেষ্টার সময় বিএসএফের গুলিতে নিহত হয়েছেন বাংলাদেশের এক যুবক। প্রায় ৪০ ঘণ্টা পর তাঁর মরদেহ বাংলাদেশে ফেরত দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের বিজিবির বক্তব্য অনুযায়ী, চান্দেরহাট বিওপির ৩৩৩ নম্বর মেইন পিলারের কাছে চার বাংলাদেশি ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। তাঁদের নেতৃত্বে ছিলেন আইয়ুব আলী। সেই সময় ভারতের ৬৩ চকশিবানন্দ বিএসএফ ক্যাম্পের টহলদল তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। গুলিতে আসাদুল হক, মোস্তাকিম এবং উদা রায় নামে তিন জন আহত হন।
এরপর আহতদের উদ্ধার করে ভারতের কালিয়াগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩৮ বছরের আসাদুলের মৃত্যু হয়। বাকি দু'জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। এরই মধ্যে ফের বাংলাদেশ থেকে ভারতে মাদক পাচারে এবং অনুপ্রবেশের অভিযোগ উঠেছে এক কিশোরের বিরুদ্ধে। হাতেনাতে মাদক সামগ্রী সহ আটক করা হয়েছে। কিন্তু একের পর এক অনুপ্রবেশের ঘটনায় ফের প্রশ্ন উঠছে সীমান্তে বেআইনি ভাবে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারতে ঢোকার চেষ্টা কেন বারবার হচ্ছে ? এর পিছনে দায় কার? তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া মাদকের ফরেন্সিক পরীক্ষা এবং অন্যান্য প্রমাণও তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।