নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়ে বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপির জাতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। দেশের শান্তি ও উন্নয়ন ব্যাহত করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর নিশানা কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং সিজেপি। নীতিন নবীনের দাবি, এই শক্তিগুলি দেশের মানুষের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি করতে চাইছে। তবে তাদের এই প্রচেষ্টা সফল হবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি।
নীতিন নবীনের অভিযোগ, ১৪০ কোটি মানুষের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং দেশের উন্নয়নের স্বার্থে চলা সম্মিলিত প্রচেষ্টাকে দুর্বল করার চেষ্টা চলছে। একদিকে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন INDI জোট এবং অন্যদিকে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী—CJP-র সমর্থনে দেশে অস্থিরতা তৈরির প্রতিযোগিতায় নেমেছে। বিজেপি সভাপতি আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নানা সঙ্কট চললেও ভারত উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে। দেশের গণতন্ত্র যথেষ্ট শক্তিশালী এবং দেশের দেশপ্রেমিক মানুষ একজোট হয়ে এই ধরনের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেবেন বলেও দাবি করেন তিনি। দেশের মানুষ বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলির উদ্দেশ্য সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন। দেশে অস্থিরতা তৈরি করে উন্নয়নের গতিকে থামানোর যে কোনও প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন নীতিন নবীন। দেশের মানুষ দেখছে তারা কী ধরনের খেলা খেলছে।’
গতকাল রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দ্বারস্থ হন বিরোধী জোট INDIA। নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়া নিয়ে নিজেদের অভিযোগ জানাতে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে বসার উদ্যোগ নেন বিরোধী নেতারা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পদ থেকে সরানোর জন্য রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ দাবি করেন তাঁরা। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকায় একাধিক অনিয়ম হয়েছে। নির্বাচনে ভোট চুরি করা হচ্ছে। এনিয়ে রাষ্ট্রপতির হাতে একটি স্মারকলিপিও তুলে দেন প্রতিনিধি দলের সদস্যেরা।
এই বিষয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘আমাদের স্মারকলিপিতে স্পষ্ট করে বলা আছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ভারতের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করেছেন । আমরা তাঁকে যা বলেছি তা মোটেই অস্বীকার করেননি রাষ্ট্রপতি। তিনি আমাদের কাছে প্রমাণ চেয়েছেন। আমি বলেছি ভোট যে চুরি হয়েছে তার প্রমাণ গোটা দেশ জানে । একের পর এক রাজ্যে চুরি করে জিতেছে বিজেপি।’
