নয়া দিল্লি, পিউ নন্দী: স্বাধীনতা দিবসের বক্তব্য রাখতে গিয়ে একাধিক মেগা প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী এক বছরের মধ্যে ১ কোটি মানুষকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রশিক্ষণ দেওয়া থেকে শুরু করে সরকারি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য বিনামূল্যে অনলাইন কোচিং এবং অলিম্পিক পদক প্রত্যাশীদের খুঁজে বার করে দেশ জুড়ে প্রতিভা অন্বেষণের মতো একাধিক পরিকল্পনার কথা জানিয়ে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
তরুণ প্রজন্মকে বার্তা দিতে এবং সরকার ও দলের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের জন্য এটি একটি বড় কৌশল ছিল বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তাহলে কি যুবসমাজের সঙ্গে যোগাযোগ মজবুত করার পরিকল্পনা নিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি।
দলীয় সূত্রের জানা গিয়েছে, সাম্প্রতিক উপনির্বাচনে পরাজয় এবং সমাজমাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান সমালোচনার কারণ পর্যালোচনা করতে গিয়ে CJP-র নেতৃত্বে চলা ৩৭ দিনের ছাত্র আন্দোলনকেই অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে দলের অভ্যন্তরীণ সমীক্ষা। আর যেহেতু এই আন্দোলন বেশিরভাগ ছিলই তরুণ প্রজন্মকে কেন্দ্র করে তাই তরুণ প্রজন্মকে নিজেদের দিকে আকৃষ্ট করতে একাধিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বিজেপি নেতৃত্বের একাংশের মতে, দলের যুব সংগঠন, যুব মোর্চা এবং আরএসএস এর ছাত্র সংগঠন এবিভিপি-র মাধ্যমিক ছাত্র ছাত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি করার এবং বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনার পথ খোলা রাখা উচিত। তাদের উপর দলের মনোভাব জোর করে চাপানোর চেষ্টা না করে তাদের বক্তব্য গুরুত্ব সহকারে শোনা উচিত।
পাশাপাশি বর্তমান সময়ে যুব সমাজ এবং স্কুল পড়ুয়ারাও অনেকে সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয়। তাদের কাছে পৌঁছাতে বিশেষ উদ্যোগ নিতে হবে। সিজেপি আন্দোলনের ক্ষেত্রে বিক্ষোভকারীদের মনোভাব সঠিকভাবে বুঝতে না পারা দলের কৌশলগত ভুল ছিল বলে স্বীকারও করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ।