সামনেই দুর্গাপুজো। আর দুর্গাপুজোয় টানা ছুটিতে পরিবার কিংবা বন্ধুবান্ধব নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা সকলেরই থাকে। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ায় ট্রেনের টিকিট। বুকিং এর ক্ষেত্রে দেখা যায় টিকিট বুক শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সব টিকিট সোল্ড আউট হয়ে যায়। তখন ট্রেনের টিকিটের আশা ছেড়ে দিয়ে যাতায়াতের জন্য অন্য ব্যবস্থা নিতে হয় অনেকেই। কবে থেকে পুজোর ছুটিতে ট্রেনের টিকিট বুকিং শুরু হয় তা আগে থেকে জানা থাকলে অনেকটাই সুবিধা হয় পর্যটকদের।
রেলে নতুন ঘোষণা অনুযায়ী যাত্রীর টিকিট কনফার্ম না হলে বিকল্প সুবিধার কথাও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। আগে যাওয়ার চার মাস আগে থেকে ট্রেনের টিকিট বুক করা যেত। বর্তমানে সেই সময় কমে দাঁড়িয়েছে দুই মাস। এবার পুজোর ছুটি ১৪ই অক্টোবর থেকে ২১ শে অক্টোবর পর্যন্ত।যেহেতু সপ্তমে দুদিন তাই পুজোর ছুটিও একদিন বেশি। বেশিরভাগ মানুষ এই ছুটিটাকেই কাজে লাগাতে চান।
কেউ যদি ১৪ অক্টোবর অর্থাৎ চতুর্থীর দিন ঘুরতে যেতে চান তাহলে আগামী ১৫ ই আগস্ট থেকেই তার টিকিট বুক করতে পারবেন। আবার ২১ অক্টোবর অর্থাৎ দশমীর দিন ফিরতে চাইলে তার টিকিটও কাটা যাবে ২২ আগস্ট থেকে। সকাল আটটা থেকে আইআরসিটিসির ওয়েবসাইট, রেলওয়ে অ্যাপ, টিকিট রিজার্ভেশন কেন্দ্র থেকে টিকিট করতে পারবেন যাত্রীরা।
তবে এই বুকিং শুরু হতেই সংরক্ষিত সব আসন কিছুক্ষণের মধ্যেই বুকিং হয়ে যায়। কনফার্ম টিকিটের বদলে বেশিরভাগ টিকিট ওয়েটিং হয়ে যায়। যেহেতু পূজো তাই ওয়েটিং এর থেকে কনফার্ম হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে। এমত অবস্থায় বিকল্প রাস্তার কথা বলেছে রেল।
ভিড়ের কথা মাথায় রেখে এবারেও স্পেশাল ট্রেন চলবে পূর্ব রেল শাখায়। দুর্গাপূজা শুরুর দুই সপ্তাহ আগে থেকে কালী পুজো পর্যন্ত এই বিশেষ পরিষেবা মিলবে। তবে স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচী জানা যায়নি এখনো। ওয়েটিং টিকিট যদি কনফার্ম না হয় তাহলে তৎকাল বা প্রিমিয়াম তৎকাল ব্যবস্থা করা হয়েছে রেলের পক্ষ থেকে। তবে পূজোর ছুটিতে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা নিলে অপেক্ষা না করে নির্ধারিত দিনের মধ্যে বুকিং শুরু হওয়ার সাথে সাথেই টিকিট কাটাই শ্রেয়।