স্পোর্টস ডেস্ক: হংকং সিক্সেসে একের পর এক হারে কার্যত মুখ পুড়েছিল ভারতের। পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ইংল্যান্ডের কাছে পরপর তিন ম্যাচে পরাজয়ের পর শেষ ম্যাচে এসে জয়ের মুখ দেখল ক্রুণাল পাণ্ডিয়ার দল। তাও আবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর শেষ বলে গিয়ে জয়। কোনও মতে ১২ দলের প্রতিযোগিতায় শেষ স্থানে থাকার লজ্জা এড়াল ভারত। তবে তারকাখচিত দল নিয়েও ১১ নম্বরে শেষ করা যে বড় ধাক্কা, তা বলাই যায়।
১১-১২তম স্থান নির্ধারণের ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। আগের ম্যাচগুলিতে বোলিং নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠলেও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তুলনায় ভাল পারফরম্যান্স দেখা যায়। যদিও তাতেও রানের গতি আটকানো যায়নি পুরোপুরি। মাত্র ১৮ বলে ৬২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন আবু হাইদার। ভারতের হয়ে অধিনায়ক ক্রুণাল পাণ্ডিয়া ২৫ রান দিয়ে ৩টি উইকেট তুলে নেন। তাঁর বোলিংয়েই কিছুটা স্বস্তি পায় ভারত।
জবাবে রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন শশাঙ্ক সিং। পাঞ্জাব কিংসের এই ব্যাটার মাত্র ১৫ বলে ৫০ রান করে ভারতকে লড়াইয়ে ফেরান। রাহুল ত্রিপাঠীও ঝোড়ো ব্যাটিং করেন। ১২ বলে তাঁর সংগ্রহ ৩২ রান। তবে নীতীশ রানার ব্যর্থতা অব্যাহত। ৪ বলে মাত্র ১০ রান করেই ফেরেন তিনি। শেষ দিকে দায়িত্ব নেন রাহুল তেওয়াটিয়া। তাঁর চার ও ছক্কার সৌজন্যেই শেষ বল পর্যন্ত গড়ানো ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত।
প্রতিযোগিতার শুরুটা অবশ্য একেবারেই ভাল হয়নি ক্রুণালদের। প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে ১৩ বল বাকি থাকতে ৪ উইকেটে হার। এরপর সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কাছে ৬ উইকেটে এবং ইংল্যান্ডের কাছে ৩ রানে পরাজয়। অবশেষে শেষ ম্যাচে জয় এলেও সেই ক্ষত মুছল না।
৬ ওভারের এই অভিনব প্রতিযোগিতায় ১২টি দল অংশ নেয়। একজন বোলার সর্বোচ্চ ২ ওভার করতে পারেন। সাধারণত অবসরপ্রাপ্ত ক্রিকেটার কিংবা নতুন মুখদের দেখা গেলেও ভারতের দল ছিল বেশ তারকাখচিত। নিয়মিত আইপিএল ও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে খেলা ক্রিকেটারদের নিয়েও এমন হতাশাজনক ফল ভারতীয় শিবিরের ব্যর্থতাই তুলে ধরল। প্রথমে ভুবনেশ্বর কুমারকে অধিনায়ক করা হলেও পরে জাতীয় দলে ডাক পাওয়ায় নেতৃত্বের দায়িত্ব যায় ক্রুণালের হাতে।




