ঝাড়খণ্ডে ছাত্র আন্দোলনে উত্তেজনার পারদ চড়ছে! ছাত্ররা যা ঘোষণা করেছিলেন, সেই মতোই সোমবার অর্থাৎ আজ, ‘বিধানসভা ঘেরাও’ অভিযান শুরু করেন৷ ঘেরাও অভিযানে পুলিশি নির্দেশ না মেনে; ছাত্ররা পিছিয়ে যেতে অস্বীকার করলে, পুলিশ একাধিক বার জলকামান চার্জ করে। তা সত্বেও আন্দোলনকারীরা বিধানসভার দিকে এগিয়ে যান।
ঠিক তখনই তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের বাসভবনের বাইরে বিক্ষোভ দেখানোর সময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাবুলাল মারান্ডি এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি আদিত্য সাহু এবং একাধিক বিজেপি নেতাকে আটক করা হয়েছে।
এদিন মিছিল শুরুর আগে থেকেই ছিল রাঁচি জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছিল। প্রায় ৪ কিলোমিটার এলাকায় নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল এবং ১৫০০-র বেশি RAF, IRB, জেলা পুলিশ ও QRT কর্মী মোতায়েন ছিলেন। ব্যারিকেডের পাশাপাশি কাঁটাতারের বেড়াও তৈরি করা হয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আন্দোলনকারীরা পুলিশের ব্যারিকেডের সামনে পৌঁছন। ছাত্রদের প্রতিবাদ অনড় থাকে।
কয়েকজন প্রতিবাদী ব্যারিকেড টপকাতে থাকেন। বিভিন্ন রাস্তা দিয়ে আসা মিছিল একত্রিত হয়ে ব্যারিকেড সরিয়ে এগোতে থাকে। বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবং পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে। তবুও,হার মানেননি আন্দোলনকারীরা।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োতে দেখা যায় জলকামানের জলের তোড়ে পিছিয়ে যাওয়ার বদলে রীতিমত নাচছেন আন্দোলনকারী। রাঁচির ডিএসপি অরবিন্দ কুমার বর্মা বলেছেন,'পড়ুয়ারা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করলে পুলিশও শান্তিপূর্ণভাবেই পরিস্থিতি সামলাবে। প্রয়োজনে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের দাবিগুলি সরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।'