ফের সিপিএমের বুকস্টলে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা প্রাক্তন বিধায়ক দেবেশ দাসকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলকাতার এন্টালিতে।
জানা গিয়েছে, এন্টালির ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিএমের বুকস্টলে আচমকা হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। ভাঙচুরের পর বই মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এমনকি, সিপিএম নেতা-কর্মীদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। আক্রান্ত হন প্রাক্তন বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী দেবেশ দাসও। ঘটনায় মেডিক্যাল থানায় এফআইআর করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
কলকাতার দিকে দিকে বামেদের বুক স্টলে বাধার অভিযোগ উঠছে। এর আগে চতুর্থীর দিন দক্ষিণ কলকাতার ঢাকুরিয়ায় সিপিআই (এমএল) লিবারেশনের বইয়ের দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছিল। বাম দলের অভিযোগ, প্রায় চার দশক ধরে ঢাকুরিয়া বাস স্ট্যান্ডের সামনে লিবারেশন, সিপিআই ও সিপিএমের বুক স্টল বসে। বুধবার সন্ধ্যায় স্টল বাঁধার সময় একদল দুষ্কৃতী এসে হামলা চালায়। এরই মধ্যে পঞ্চমীর দিন শিবিপুরে বুক স্টলে হামলা চালানোর ঘটনায় নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার ব্যাতাইতলা নতুন পল্লি পুজো মণ্ডপের কাছে।
অন্যদিকে, দুর্গাপুজোর সময় সিপিএমের বইয়ের স্টল বসানো নিয়ে আইনি টানাপোড়েন অব্যাহত। কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্যের আবেদনের ভিত্তিতে সিপিএমের স্টল বসানোর অনুমতি খারিজ করে প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশ, যথাযথ অনুমতি ছাড়া রাস্তার ধারে কোনও স্টল রাখা যাবে না। সেই সঙ্গে টেবিল ও ছাতা ব্যবহার করেও বইয়ের স্টল বসানো যাবে না বলে স্পষ্ট করে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি।




