স্পোর্টস ডেস্ক: ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে একের পর এক ধাক্কা খাচ্ছে ম্যানচেস্টার সিটি। নটিংহ্যাম ফরেস্টের কাছে ৩-১ গোলে হেরে টানা তৃতীয় ম্যাচে পরাজয়ের মুখ দেখল এনজো মারেস্কার দল। মরশুমের শুরুতে দুরন্ত ছন্দে থাকা সিটির এমন পতনে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে দলের ছন্দ এবং শিরোপার লড়াইয়ে টিকে থাকা নিয়ে। অন্য দিকে, হাল না ছেড়ে এগিয়ে চলেছে আর্সেনাল। হাল সিটিকে হারিয়ে লিগের শীর্ষে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করল তারা।
ম্যাচের শুরু থেকেই সিটির রক্ষণে ফাঁকফোকর খুঁজে নিতে থাকে নটিংহ্যাম। ১৮ মিনিটের মধ্যেই জোড়া গোল করে এগিয়ে যায় তারা। প্রথমে গোল করেন জাইর কুনহা। তার পর ব্যবধান বাড়ান লিয়াম ডেলাপ। ঘরের মাঠে লিগে এর আগে গোলের মুখ না দেখা নটিংহ্যামের কাছে এই শুরু ছিল বড় প্রাপ্তি। বিরতির পর ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করে সিটি। রায়ান শেরকি একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু ৭৩ মিনিটে ফের সিটির রক্ষণকে বোকা বানিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ডেলাপ। বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মাকে পরাস্ত করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় সিটিকে।
ম্যাচের পর মারেস্কা স্বীকার করেন, প্রথমার্ধে তাঁর দলের খেলায় প্রয়োজনীয় তীব্রতার অভাব ছিল। আন্তর্জাতিক বিরতিতে দলের ভারসাম্য নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে বলেও জানান তিনি। মরশুমের প্রথম সাতটি লিগ ম্যাচ জিতেছিল সিটি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে জয়ের ধারাও ছিল সাত ম্যাচের। কিন্তু পরপর তিনটি হার সেই ছবিটাই বদলে দিয়েছে।
অন্য দিকে, হাল সিটিকে ১-০ গোলে হারিয়ে স্বস্তিতে আর্সেনাল। ৭২ মিনিটে গোল করেন মার্টিন ওডেগার্ড। ননি মাদুয়েকের শট গোলরক্ষকের হাত থেকে ফসকে যাওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে জয় নিশ্চিত করেন তিনি। সেপ্টেম্বরের শুরুর পর এই প্রথম গোল পেলেন আর্সেনালের অধিনায়ক। দলের সুযোগ কাজে লাগানোর ক্ষমতা আরও বাড়াতে হবে বলে মনে করেন কোচ মিকেল আর্তেতা। এই জয়ের ফলে শীর্ষে থাকা আর্সেনাল সম্ভাব্য ৩০ পয়েন্টের মধ্যে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে সিটির চেয়ে ৬ পয়েন্ট এগিয়ে গেল।
অন্য ম্যাচে টটেনহ্যামকে ১-০ গোলে হারিয়েছে লিডস। ৭৯ মিনিটে গোল করেন নোয়া ওকাফর। নিউক্যাসল ও ফুলহ্যামের ম্যাচ শেষ হয়েছে ১-১ গোলে। জ্যাকব মারফির গোলে এগিয়ে যাওয়ার মাত্র তিন মিনিটের মধ্যে সমতা ফেরান রদ্রিগো মুনিজ। এদিকে অ্যাস্টন ভিলার বিরুদ্ধে নামার আগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড নেমে এসেছে অবনমনের অঞ্চলে। সিটির টানা হারে যেমন শিরোপার লড়াই জমে উঠেছে, তেমনই লিগের নীচের দিকেও বাড়ছে উদ্বেগ।




