ভুয়ো নথি দেখিয়ে সিম কিনে তা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে পাচার করার অভিযোগ উঠেছে নাসিরুদ্দিন-সহ ধৃত তিন জনের বিরুদ্ধে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, দেশীয় মোবাইল সিম কিনে তা পাঠানো হতো বাংলাদেশে থাকা আইএসআই এজেন্টদের হাতে। এরপর হাতবদল হয়ে সিমগুলি পৌঁছাত পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে। সেখানে বসেই এই ভারতীয় নম্বর কাজে লাগিয়ে নজরদারি ও গুপ্তচরবৃত্তি চালাত পাক হ্যান্ডলারেরা। তবে বাংলাদেশ হয়ে মোট কতগুলি সিম পাকিস্তানে পাচার হয়েছে, তদন্তে এখনও তার সঠিক পরিসংখ্যান মেলেনি।
এই ঘটনা পুলিশ কোচবিহারের দেওচড়াই গ্রাম পঞ্চায়েতের চৌখুসি গ্রামের বাসিন্দা নাসিরুদ্দিন আলীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার করা হয়েছে আরও দুই ব্যক্তিকে। যদিও ধৃত নাসিরুদ্দিনের পরিবার সূত্রে জানা গেছে সে তুফানগঞ্জ এর একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নাইট গার্ডের কাজ করেন। বাড়িতে একটি পাঁচ বছরের কন্যা সন্তান ও তার স্ত্রী রয়েছে। পরিবারের দাবি, নাসিরুদ্দিনকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে অথবা কোন ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে।
ধৃতের স্ত্রীয়ের দাবি, ‘প্রতিদিনই তার স্বামীর কাজ থেকে বাড়ি ফেরেন, কিন্তু ওইদিন বাড়ি ফেরেনি সে। তাই সকালে কাজের জায়গায় ফোন করে ছিলাম, তখনই জানতে পারি কয়েকজন ওকে তুলে নিয়ে গেছে। দুশ্চিন্তায় পুলিশকে যোগাযোগ করার কথা চিন্তা করি কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই থানার বড়বাবু ফোন করে জানান আমার স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’
ধৃতের ভাই বলেন, দাদাকে মিথ্যে অভিযোগের ফাঁসানো হয়েছে, দাদা এই ধরনের কাজের সাথে যুক্ত থাকতে পারেনা। মাত্র ১০ হাজার টাকা বেতনের একটি কাজ করে সে। এই ঘটনাকে ঘিরে সরগরম গোটা এলাকা। আগামী দিনে তদন্তে কি তথ্য উঠে আসে সেটারই অপেক্ষায় সকলে।