নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলাকালীন একাধিক ঘটনাকে ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কেন্দ্যামারী অঞ্চলের ২২৪ নম্বর জীবনকৃষ্ণ প্রাইমারি স্কুল বুথে EVM বিভ্রাটের অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, যান্ত্রিক সমস্যার কারণে ওই বুথে কিছু সময়ের জন্য ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। বিষয়টি নিয়ে ভোটার ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়ায়।
এর পাশাপাশি কেন্দ্যামারী এলাকার ২১২ নম্বর বুথ থেকেও অভিযোগ সামনে এসেছে। বুথে এজেন্ট বসতে না দেওয়া এবং ভোটপ্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী শিবিরের প্রার্থীরা। কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানও একাধিক বুথে তাঁর পোলিং এজেন্টদের বসতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন। নির্বাচন কমিশনের কাছে বিষয়টি জানানো হয়েছে বলেও দাবি তাঁর।
অন্যদিকে, ২১২ নম্বর বুথের সিপিআই-এর নির্বাচনী এজেন্ট শেখ সাদ্দাম হোসেনকে মারধরের অভিযোগ ঘিরেও পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়েছে। আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ উঠেছে এবং আহত সাদ্দাম হোসেনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এই নির্দিষ্ট হামলার অভিযোগের স্বাধীন সরকারি নিশ্চিতকরণ এখনও পাওয়া যায়নি। তাই অভিযোগটি অভিযোগ হিসেবেই উল্লেখ করা হচ্ছে।
নন্দীগ্রামে এবারের ভোটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট কড়া। ৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং প্রায় ৭০০ রাজ্য পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। মোট ৩২৩টি বুথের মধ্যে ৭৯টি বুথকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সকাল থেকেই নন্দীগ্রামের বিভিন্ন বুথে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের ছবি সামনে আসছে। কংগ্রেসের অভিযোগগুলি বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ অস্বীকার করেছেন এবং ভোট শান্তিপূর্ণভাবে চলছে বলে দাবি করেছেন।
এখন নজর নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপের দিকে EVM বিভ্রাটের পর ভোট কতক্ষণ বন্ধ ছিল, ভোটগ্রহণ স্বাভাবিক হয়েছে কি না এবং বুথে ওঠা অভিযোগগুলির ক্ষেত্রে প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেয়, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।