নিউজ ডেস্ক: গুজরাটের ভাটনগরে ‘সেবা সংকল্প যাত্রা’র সমাপ্তি হতে চলেছে এমন এক ঐতিহাসিক স্থানে, যার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জীবনের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। যাত্রার শেষে সেবাযাত্রীরা ঐতিহাসিক হাটকেশ্বর মহাদেব মন্দিরে পৌঁছে জলাভিষেক করবেন। প্রার্থনা ও মানুষের সেবার প্রতি নতুন করে অঙ্গীকারের মধ্য দিয়েই শেষ হবে এই কর্মসূচি।
সমাপনী অনুষ্ঠানে একাধিক শীর্ষ বিজেপি নেতা ও জনপ্রতিনিধির উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করার কথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল, গুজরাটের উপমুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সাংঘভি এবং বিজেপির সমস্ত সেলের সমন্বয়ক ভি ডি শর্মার। তাঁরা সেবাযাত্রীদের সঙ্গে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন।
এই সমাপ্তি কর্মসূচির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে রাজনৈতিক ও আবেগের দিক থেকেও। একই সময়ে আয়োজিত হতে চলা ভাটনগর ও বারাণসীর দুটি সমাপনী অনুষ্ঠানকে একটি বৃহত্তর প্রতীকী যাত্রার দুই প্রান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে ভাটনগর থেকে বারাণসী।
ভাটনগর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জীবনের শুরুর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। অন্যদিকে, বারাণসী তাঁর দীর্ঘদিনের সংসদীয় রাজনৈতিক যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ফলে এই দুই শহরকে একসঙ্গে রেখে ‘সেবা সংকল্প যাত্রা’র সমাপ্তি যেন তাঁর জীবনের যাত্রাপথের একটি প্রতীকী বৃত্ত সম্পূর্ণ করছে।
‘সেবা’ বা মানুষের জন্য কাজ করার বার্তাকেই এই কর্মসূচির মূল ভাবনা হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। মন্দিরে জলাভিষেক এবং প্রার্থনার মধ্য দিয়ে সমাপ্তি সেই ভাবনাকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলবে। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি মানুষের প্রতি দায়িত্ব, সমাজসেবা এবং দেশের জন্য কাজ করার অঙ্গীকারকেও সামনে রাখা হচ্ছে এই যাত্রায়।
ভাটনগরের হাটকেশ্বর মহাদেব মন্দিরে জলাভিষেকের মাধ্যমে যখন যাত্রার সমাপ্তি হবে, তখন একই সময়ে বারাণসীতেও সমাপনী কর্মসূচি চলবে। ফলে ভাটনগর থেকে বারাণসী এই দুই প্রান্তকে ঘিরে ‘সেবা সংকল্প যাত্রা’ শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং মোদীর রাজনৈতিক ও জনজীবনের দীর্ঘ পথচলার প্রতীকী পুনর্পাঠ হিসেবেও সামনে আসতে চলেছে।