নিউজ ডেস্ক: আর তিনদিন পরেই মহালয়া। দূর্গা পুজো প্রায় দোরগোড়ায়। দূর্গাপুজোয় যে কোনো পোশাক পরলেও, অন্তত একদিন শাড়ি পরার পরিকল্পনা থাকে বেশিরভাগেরই। তবে শুধু শাড়ি পরলেই হয়না, তার সাথে স্টাইলিং বেশ গুরুত্বপূর্ণ। শাড়ির সাথে সুন্দর ডিজাইনের ব্লাউজ নিমেষে লুককে এক অন্য মাত্রায় নিয়ে যেতে পারে। সাবেকি সাজের সঙ্গে আধুনিকতার ছোঁয়া, সহজেই তৈরি করে নজরকাড়া লুক। তাছাড়া শরীরের গড়ন অনুযায়ী ব্লাউজের কাট ও স্টাইল নিয়ে একটু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিজের পছন্দের লুক তৈরি করতে পারেন।
ম্যান্ডারিন-কলার ব্লাউজ: বর্তমানে দেখা যাচ্ছে নব্বইয়ের দশকের ফ্যাশনের প্রভাব। সেই ট্রেন্ডকে মাথায় রেখে পুজোয় বেছে নিতে পারেন ম্যান্ডারিন-কলার ব্লাউজ। হালকা শিফন, সিল্ক, তসর কিংবা লিনেন-সিল্ক শাড়ির সঙ্গে এই ডিজাইনের ব্লাউজ দারুণ লাগে। এই লুকের সঙ্গে বেশি গয়নার প্রয়োজন হয়না। ছোট কানের দুল , হাতে একটা ঘড়ি, পায়ে হিল আর একটি ছোট ব্যাগ নিলেই সুন্দর করে নিজেকে সাজিয়ে তুলতে পারবেন।
ডিপ ভি-নেক কলার ব্লাউজ: পুজোর সন্ধ্যায় একটু গ্ল্যামার চাইলে বেছে নিতে পারেন ডিপ ভি-নেক কলার ব্লাউজ। চওড়া জরি বা এমব্রয়ডারি পাড়ের সাথে এক রঙের শাড়ি সহজেই দৃষ্টি আকর্ষণ করে। গলার কাটটি স্পষ্ট হওয়ায় একটি চোকার পরে নিজেকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন।
শার্ট-কলার ব্লাউজ: শার্ট কলার ব্লাউজ সাধারণত অফিসের রোজকার পোশাকে ব্যবহৃত হতে দেখা যায়। তবে সেটিকে স্টাইল করে পড়লেই পুজোর লুক হতে পারে স্মার্ট। সুতির শাড়ি, হ্যান্ডলুম কিংবা লিনেনের সঙ্গে এই ধরনের ব্লাউজ বেশ মানানসই। শাড়ির সঙ্গে কনট্রাস্ট রঙের ব্লাউজ পরলে বেশি চোখে পড়বে। সাথে কোমড়ে প্লিট করা আঁচলের ওপর যোগ করতে পারেন সরু বেল্ট। শাড়ির রঙের সাথে মানানসই রঙের কানের দুল আর পেনসিল হিল পরলেই সাজ সম্পূর্ণ।
নচড-কলার ব্লাউজ: কলারের সামনে ছোট ভি-আকৃতির কাট বা খাঁজ- এই বিশেষত্বই নচড-কলার ব্লাউজকে আলাদা করে। পুজোয় বন্ধুদের সাথে কোনো সান্ধ্য আড্ডায় বা পার্টিতে সিল্ক, ক্রেপ কিংবা স্যাটিনের শাড়ির সঙ্গে এটি পরা যেতে পারে। সঙ্গে দুল, চওড়া ব্রেসলেটে তৈরি পার্টি-লুক।
পিটার প্যান কলার ব্লাউজ: পুজোর সাজে যদি আনতে চান সাবেকি লুক তাহলে গোলাকার পিটার প্যান কলারের সঙ্গে হালকা পাফ-স্লিভের ব্লাউজ বেছে নিতে পারেন। এই ব্লাউজের সঙ্গে প্যাস্টেল শেডের শাড়ি ও হালকা মেকআপ বেছে নিন। হালকা গলার হাড়, ছোট কানের দুল এবং কিটেন হিলেই সাজ থাকবে ছিমছাম ও সুন্দর।
শাড়ি বা ব্লাউজের যতই সুন্দর হোক, যে কোনো সাজকেই দ্বিগুণ সুন্দর করে তোলে নিজস্বতা। তাই নিজের শরীরের গড়ন ও ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানাবে এমন ডিজাইন বেছে নিয়ে এবারে পুজোয় আপনিই হয়ে উঠতে পারেন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।
