JAZZBAAT 24 BANGLA
৩০ অক্টো ২০২৬, ০২:০৯ পিএম
Breaking
মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কোচিংয়ে বড় রদবদল, ব্যাটিংয়ের দায়িত্বে রবিন উথাপ্পা আলবেনিয়ার সংসদে নজিরবিহীন বিক্ষোভ! অধিবেশন কক্ষের ভিতরেই জ্বলল ফ্লেয়ার প্রয়াগরাজে মাটির নীচে নীল ড্রামে এবার পাওয়া গেল এই জিনিস! Illegal Immigration : চেন্নাই যাওয়ার পথে অসমে ধরা পড়লেন ২০-র বেশি বাংলাদেশি আইপিএলে ফেরার হাতছানি, গম্ভীরকে পেতে ঝাঁপাচ্ছে চার ফ্র্যাঞ্চাইজি! ধোঁয়াশায় ঢাকছে মুম্বই, দূষণ রুখতে কড়া পদক্ষেপ! ‘মক পার্লামেন্ট’ নয় ! মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে নিশানা করে কর্মসূচির নকশা বদল ইন্ডিয়া জোটের ‘অর্ণব’-এর শক্তিক্ষয়, বঙ্গোপসাগরে ফের নিম্নচাপ! মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কোচিংয়ে বড় রদবদল, ব্যাটিংয়ের দায়িত্বে রবিন উথাপ্পা আলবেনিয়ার সংসদে নজিরবিহীন বিক্ষোভ! অধিবেশন কক্ষের ভিতরেই জ্বলল ফ্লেয়ার প্রয়াগরাজে মাটির নীচে নীল ড্রামে এবার পাওয়া গেল এই জিনিস! Illegal Immigration : চেন্নাই যাওয়ার পথে অসমে ধরা পড়লেন ২০-র বেশি বাংলাদেশি আইপিএলে ফেরার হাতছানি, গম্ভীরকে পেতে ঝাঁপাচ্ছে চার ফ্র্যাঞ্চাইজি! ধোঁয়াশায় ঢাকছে মুম্বই, দূষণ রুখতে কড়া পদক্ষেপ! ‘মক পার্লামেন্ট’ নয় ! মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে নিশানা করে কর্মসূচির নকশা বদল ইন্ডিয়া জোটের ‘অর্ণব’-এর শক্তিক্ষয়, বঙ্গোপসাগরে ফের নিম্নচাপ!

দারিদ্র্য কমেছে দ্রুত, তবু গরিবি ঘোচেনি! বিশ্ব ব্যাঙ্কের নতুন রিপোর্টে ভারতের চাঞ্চল্যকর ছবি

দারিদ্র্য কমেছে দ্রুত, তবু গরিবি ঘোচেনি! বিশ্ব ব্যাঙ্কের নতুন রিপোর্টে ভারতের চাঞ্চল্যকর ছবি
কোন রাজ্যে সবচেয়ে বেশি দরিদ্র? ছবি: গ্রাফিক্স ও এআই দ্বারা নির্মিত

নয়াদিল্লি: ভারতে দারিদ্র্যের হার কমেছে দ্রুত। এক দশকের কিছু বেশি সময়ে চরম দারিদ্র্যের হার ২৭.১ শতাংশ থেকে নেমে হয়েছে মাত্র ২.৬ শতাংশ। বিশ্ব ব্যাঙ্কের সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, দারিদ্র্য কমানোর ক্ষেত্রে বিশ্বের দ্রুত অগ্রসর দেশগুলির মধ্যে রয়েছে ভারত। কিন্তু এই সাফল্যের ছবির আড়ালেই রয়েছে অস্বস্তিকর বাস্তব। প্রতিদিন ৮.৩০ ডলারের কম অর্থে জীবন কাটান, এমন মানুষের সংখ্যা এখনও বিপুল। দেশের দরিদ্র মানুষের বড় অংশ বাস করেন গ্রামাঞ্চলে। আবার উত্তরপ্রদেশ থেকে পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত বিস্তৃত কয়েকটি রাজ্যেই কেন্দ্রীভূত দেশের মোট দরিদ্র জনসংখ্যার বড় অংশ। অর্থাৎ চরম দারিদ্র্য কমলেও স্বচ্ছলতার নাগাল এখনও বহু মানুষের কাছে অধরা।
বিশ্ব ব্যাঙ্কের নতুন বিশ্লেষণে ২০১১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ভারতের দারিদ্র্যের গতিপ্রকৃতি তুলে ধরা হয়েছে। চারটি গুরুত্বপূর্ণ সূচকে ধরা পড়েছে দেশের আর্থসামাজিক পরিবর্তনের ছবি। এক দিকে চরম দারিদ্র্যের দ্রুত পতন, অন্য দিকে গ্রাম-শহরের বৈষম্য, আঞ্চলিক অসাম্য এবং আয় বা ভোগের বৈষম্য কমার ইঙ্গিত—সব মিলিয়ে ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতির একটি জটিল ছবি সামনে এসেছে।

চরম দারিদ্র্যে বড় পতন, ২৭.১ থেকে ২.৬ শতাংশ

বিশ্ব ব্যাঙ্ক দারিদ্র্য পরিমাপের জন্য তিনটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্যবহার করে। ২০২১ সালের ক্রয়ক্ষমতার সমতা বা পারচেজিং পাওয়ার প্যারিটি (পিপিপি) অনুযায়ী, প্রতিদিন ৩ ডলারের কম অর্থে যাঁদের জীবন কাটে, তাঁরা চরম দরিদ্র। প্রতিদিন ৪.২০ ডলারের কম অর্থে যাঁদের জীবনযাপন, তাঁরা নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশের দারিদ্র্যসীমার নীচে। আর ৮.৩০ ডলারের কম অর্থে যাঁদের দিন চলে, তাঁদের ধরা হয় উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের দারিদ্র্যসীমার নীচে।
বিশ্ব ব্যাঙ্কের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ সালে ভারতে চরম দারিদ্র্যের হার ছিল ২৭.১ শতাংশ। ২০২৩ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২.৬ শতাংশে। অর্থাৎ এক দশকের কিছু বেশি সময়ে এই হার প্রায় ২৫ শতাংশেরও বেশি কমেছে। নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশের দারিদ্র্যসীমার নীচে থাকা মানুষের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে।
তবে প্রতিদিন ৮.৩০ ডলারের কম অর্থে জীবন কাটানো মানুষের সংখ্যা এখনও বিপুল। ২০২৩ সালের হিসাবে, এই শ্রেণিতে পড়েন প্রায় ১১৫ কোটি মানুষ। অর্থাৎ চরম দারিদ্র্য থেকে বহু মানুষ বেরিয়ে এলেও তাঁদের বড় অংশ এখনও আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল হয়ে উঠতে পারেননি। দারিদ্র্যসীমার সংজ্ঞা বদলালে ছবির কিছুটা পরিবর্তন হয়—এই বিষয়টিও মাথায় রাখা জরুরি।

গ্রামেই দারিদ্র্যের চাপ বেশি, শিক্ষার সঙ্গেও যোগ

দারিদ্র্যের ঝুঁকি সব মানুষের ক্ষেত্রে সমান নয়। বিশ্ব ব্যাঙ্কের বিশ্লেষণ বলছে, প্রতিদিন ৪.২০ ডলারের কম অর্থে জীবনযাপন করা মানুষের অনুপাত গ্রামাঞ্চলে শহরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। অর্থাৎ শহরের তুলনায় গ্রামে দারিদ্র্যের চাপ অনেক বেশি।
শিক্ষার ক্ষেত্রেও রয়েছে স্পষ্ট পার্থক্য। যাঁদের কোনও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই, তাঁদের দারিদ্র্যের ঝুঁকি উচ্চশিক্ষিত বা বিশ্ববিদ্যালয় স্তর পর্যন্ত পড়াশোনা করা মানুষের তুলনায় প্রায় তিন গুণ। অর্থাৎ শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগের অভাব দারিদ্র্যের চক্রকে আরও শক্তিশালী করে তুলছে।
বিশ্ব ব্যাঙ্কের বক্তব্য, গ্রামাঞ্চলে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে এবং শহর-গ্রামের ব্যবধানও কিছুটা কমেছে। কিন্তু গ্রামীণ এলাকায় উৎপাদনশীল কাজের সুযোগ এবং উন্নত মানের অ-কৃষি কর্মসংস্থান এখনও সীমিত। ফলে দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসার পথও সেখানে তুলনামূলক কঠিন।

উত্তরপ্রদেশ থেকে পশ্চিমবঙ্গ—দরিদ্রের বড় অংশ এই বলয়ে

বিশ্ব ব্যাঙ্কের বিশ্লেষণে ভারতের দারিদ্র্যের ভৌগোলিক বিন্যাস নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। তাদের পর্যবেক্ষণ, উত্তরপ্রদেশ থেকে পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত বিস্তৃত সংলগ্ন রাজ্যগুলির একটি বলয়ে দেশের মোট দরিদ্র জনসংখ্যার প্রায় ৫৭ শতাংশ বাস করেন।
অর্থাৎ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে জীবনযাত্রার মানের উন্নতি হলেও দারিদ্র্য কমানোর লড়াইয়ে কয়েকটি রাজ্যের গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে। এই রাজ্যগুলিতে উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান তৈরি, গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নতি এবং অ-কৃষি ক্ষেত্রে কাজের সুযোগ বাড়ানো না গেলে জাতীয় স্তরে দারিদ্র্য কমানোর গতি ধরে রাখা কঠিন হবে বলে মনে করছে বিশ্ব ব্যাঙ্ক।
তবে রিপোর্টে রাজ্যভিত্তিক দারিদ্র্যের নির্দিষ্ট হার দেওয়া হয়নি। ফলে কোন রাজ্যে দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি, তা এই তথ্য থেকে সরাসরি নির্ধারণ করা যাবে না। বরং দেশের দরিদ্র মানুষের একটি বড় অংশ কোন ভৌগোলিক অঞ্চলে কেন্দ্রীভূত, সেই প্রবণতাই তুলে ধরা হয়েছে।

বৈষম্যও কমেছে, তবে হিসাব নিয়ে সতর্কতা

দারিদ্র্য কমার পাশাপাশি আয় ও ভোগের বৈষম্যও কমেছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে বিশ্ব ব্যাঙ্কের তথ্য। বৈষম্য পরিমাপের অন্যতম সূচক গিনি ইনডেক্স। এই সূচকের মান ০ হলে সম্পূর্ণ সমতা এবং ১০০ হলে চরম বৈষম্য বোঝায়।
ভারতে ভোগব্যয়ের ভিত্তিতে গিনি সূচক ২০১১ সালে ছিল ২৮.৭৮। ২০২৩ সালে তা কমে হয়েছে ২৩। অর্থাৎ মানুষের মধ্যে ভোগব্যয়ের ব্যবধান কমার ইঙ্গিত মিলেছে। ১৯৭৭ সাল থেকে পাওয়া প্রবণতার তুলনায় এই পরিবর্তন উল্লেখযোগ্য।
তবে এই পরিসংখ্যান নিয়ে সতর্কতার কথাও জানিয়েছে বিশ্ব ব্যাঙ্ক। পরিবারের ভোগব্যয়ের সমীক্ষায় ধনী পরিবারের প্রকৃত ব্যয়ের পুরোটা ধরা নাও পড়তে পারে। ফলে বৈষম্যের প্রকৃত মাত্রা হিসাবের তুলনায় বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই গিনি সূচকের পতনকে বৈষম্য সম্পূর্ণ দূর হওয়ার প্রমাণ হিসাবে দেখা ঠিক হবে না।

দারিদ্র্য মাপার পদ্ধতিতেও বদল

বিশ্ব ব্যাঙ্কের নতুন হিসাব বুঝতে গেলে দারিদ্র্য মাপার পদ্ধতির পরিবর্তনও জানা জরুরি। ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক দারিদ্র্যসীমা সংশোধন করে প্রতিদিন ২.১৫ ডলারের বদলে ৩ ডলার করা হয়। একই সঙ্গে ২০২১ সালের পিপিপি-র ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা নতুন করে হিসাব করা হয়েছে।
ভারতের ক্ষেত্রে ২০২২-২৩ সালের গৃহস্থের ভোগব্যয় সংক্রান্ত সমীক্ষার তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। আগের পদ্ধতিতে অনেক পণ্যের ক্ষেত্রে গত ৩০ দিনের খরচ জানতে চাওয়া হত। নতুন পদ্ধতিতে দ্রুত কেনা হয় এমন পণ্যের ক্ষেত্রে সাত দিনের হিসাব এবং কিছু কম কেনা হয় এমন পণ্যের ক্ষেত্রে ৩৬৫ দিনের খরচও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। ফলে পরিবারের প্রকৃত ভোগব্যয়ের ছবি আরও বিস্তারিত ভাবে উঠে এসেছে বলে বিশ্ব ব্যাঙ্কের দাবি।
এই পরিবর্তনের ফলে পুরনো বছরের দারিদ্র্যের হিসাবও সংশোধন করা হয়েছে। বিশ্ব ব্যাঙ্কের পদ্ধতি অনুযায়ী, ২০১১-১২ সালে ভারতে চরম দারিদ্র্যের হার ১৬.২ শতাংশ হিসাবে নির্ধারিত হয়েছে, যা ২০২২-২৩ সালে নেমে এসেছে ২.৩ শতাংশে। ২০২৩ সালের নতুন আপডেটে এই হার ২.৬ শতাংশ।
তবে আন্তর্জাতিক দারিদ্র্যসীমা দেশের নিজস্ব দারিদ্র্যসীমার বিকল্প নয়। বিশ্ব ব্যাঙ্কও বলেছে, কোনও দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান ও নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সেই দেশের নিজস্ব দারিদ্র্যসীমা বেশি প্রাসঙ্গিক।

সাফল্যের পরেও বড় চ্যালেঞ্জ

বিশ্ব ব্যাঙ্কের রিপোর্ট ভারতের দারিদ্র্য হ্রাসের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা বলছে। কিন্তু চরম দারিদ্র্যের হার কমে যাওয়াই যে আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার সমান নয়, সেই সতর্কবার্তাও রয়েছে পরিসংখ্যানে। প্রতিদিন ৮.৩০ ডলারের কম অর্থে জীবন কাটানো মানুষের সংখ্যা এখনও ১১৫ কোটির বেশি। গ্রামাঞ্চলে দারিদ্র্যের ঝুঁকি বেশি, শিক্ষার অভাব সেই ঝুঁকি আরও বাড়ায়। আবার কয়েকটি রাজ্যে দরিদ্র মানুষের বিপুল কেন্দ্রীভবন উন্নয়নের অসম ছবিকে সামনে আনছে।
অতএব ভারতের সামনে এখন শুধু চরম দারিদ্র্য কমানোর লক্ষ্য নয়, বরং আরও বেশি মানুষকে স্থায়ী কর্মসংস্থান, উন্নত শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আর্থিক নিরাপত্তার আওতায় আনার চ্যালেঞ্জ। দারিদ্র্যের পরিসংখ্যান আশার আলো দেখাচ্ছে ঠিকই, কিন্তু সেই আলো দেশের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছেছে কি না, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

3 Views 0 Likes 0 Comments

Related News

প্রয়াগরাজে মাটির নীচে নীল ড্রামে এবার পাওয়া গেল এই জিনিস!
দেশ

প্রয়াগরাজে মাটির নীচে নীল ড্রামে এবার পাওয়া গেল এই জিনিস!

উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে একটি বাড়ির নীচে মাটিতে পোঁতা তিনটি নীল ড্রাম থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৪ কোটি টাকা গোনা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া অর্থের পরিমাণ প্রায় ৬০ কোটি বলে অনুমান করা হলেও, সরকারি ভাবে তা নিশ্চিত করা হয়নি। ঘটনায় চারজনকে হেফাজতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

৩০ অক্টো ২০২৬, ০১:৫২ পিএম · 2 মিনিট
Illegal Immigration : চেন্নাই যাওয়ার পথে অসমে ধরা পড়লেন ২০-র বেশি বাংলাদেশি
দেশ

Illegal Immigration : চেন্নাই যাওয়ার পথে অসমে ধরা পড়লেন ২০-র বেশি বাংলাদেশি

তদন্তকারীদের অনুমান, সীমান্ত পার করে ভারতে প্রবেশে সাহায্য করার জন্য দালালরা জন প্রতি ১৫ থেকে ১৭ হাজার টাকা নিয়েছিল। এই চক্রের সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পাশাপাশি, বাকি ব্যক্তিদের সন্ধানে তল্লাশি অভিযান চলছে।

৩০ অক্টো ২০২৬, ০১:৫০ পিএম · 1 মিনিট
ধোঁয়াশায় ঢাকছে মুম্বই, দূষণ রুখতে কড়া পদক্ষেপ!
দেশ

ধোঁয়াশায় ঢাকছে মুম্বই, দূষণ রুখতে কড়া পদক্ষেপ!

মুম্বইয়ে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে ১১৬টি নির্মাণ ও বস্তি পুনর্বাসন প্রকল্পে কাজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে স্লাম রিহ্যাবিলিটেশন অথরিটি। ধুলো নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা কার্যকর করে প্রশাসনের ছাড়পত্র না পাওয়া পর্যন্ত কাজ শুরু করা যাবে না।

৩০ অক্টো ২০২৬, ০১:৪২ পিএম · 3 মিনিট
‘মক পার্লামেন্ট’ নয় ! মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে নিশানা করে কর্মসূচির নকশা বদল ইন্ডিয়া জোটের
দেশ

‘মক পার্লামেন্ট’ নয় ! মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে নিশানা করে কর্মসূচির নকশা বদল ইন্ডি...

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচির পরিকল্পনায় বদল আনল ইন্ডিয়া জোট। সংসদের অবমাননার বিতর্ক এড়াতে ‘মক পার্লামেন্ট’-এর বদলে কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে ‘জনমহাভিযোগ’। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া এবং ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ তুলে শুক্রবার বিরোধী নেতাদের পাশাপাশি কয়েক জন ক্ষতিগ্রস্ত ভোটার ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিও বক্তব্য রাখবেন।

৩০ অক্টো ২০২৬, ০১:৩৭ পিএম · 4 মিনিট

Top Comments (0)

No approved comments yet.