কলকাতা, নিউজ ডেস্ক: চাকরিজীবীদের বেতনের অঙ্কটা খানিকটা বদলে যেতে পারে। অবসর সঞ্চয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম EPFO-তে বড়সড় পরিবর্তন করেছে কেন্দ্র। ১৫ হাজার টাকা থেকে ২৫ হাজার টাকার মধ্যে PF-যোগ্য থাকা কর্মীদের একটি বড় অংশ নতুন করে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আসতে পারেন।
ইতিপূর্বে ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সভায় এই নিয়মটি কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে দেশে ৫১ লক্ষেরও বেশি অতিরিক্ত কর্মী EPFO-র বাধ্যতামূলক সামাজিক সুরক্ষা কাঠামোর আওতায় আসতে পারেন বলে আশা করছে কেন্দ্র। অক্টোবর থেকেই সেলারি স্লিপে বদল হতে পারে। আর এই কারণেই বেশ কিছু প্রভাব দেখতে পাওয়া যাবে বেতনের উপর।
মাসের শেষে হাতে আসা বেতনের অংকে কি এবার কোনও পরিবর্তন দেখতে পাবেন চাকরিজীবীরা? অক্টোবরের বেতন স্লিপ থেকে এমন প্রশ্ন উঠতে পারে অনেকের মনে। অবসরকালীন সঞ্চয়ের খাতায় জমা পড়া টাকার হিসেবেও আসতে পারে বদল। তবে, কেন এই পরিবর্তন, কতটা প্রভাব পড়বে মাসিক বেতনে এবং কারা এর আওতায় আসবেন, তা নিয়েই এখন আলোচনা চলছে চাকরিজীবীদের মধ্যে।
চাকরিজীবীদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। Employee's Provident Fund Organizations বা EPFO এর বাধ্যতামূলক কভারেজের মজুরি সীমা মাসে ১৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। ১৭ ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, এর ফলে ৫১ লক্ষেরও বেশি অতিরিক্ত কর্মী বাধ্যতামূলক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার আওতায় আসতে পারেন। এর ফলে ১৫ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা মজুরি পাওয়া কর্মীদের একটি বড় অংশ EPF-এর পাশাপাশি Employee's Pension Scheme বা EPS এবং Employee's Deposit Linked Insurance Scheme বা EDLI এর সুবিধার আওতায় আসতে পারেন। অর্থাৎ পরিবর্তনটি শুধু PF এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
তবে, সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন উঠেছে PF কাটার অংশ নিয়ে। সাধারণ নিয়মে কর্মীর PF যোগ্য মজুরির ১২% কর্মীর কন্ট্রিবিউশনস হিসেবে জমা হয়। সেই হিসেবে পিএফ যোগ্য মজুরি ২৫ হাজার টাকা হলে কর্মীর কনট্রিবিউশনস ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। আগে ১৫ হাজার টাকার ceiling অনুযায়ী অংকটি ছিল ১৮০০ টাকা। ফলে, কোনও কর্মীর ক্ষেত্রে PF wage পুরোপুরি নতুন সীমা পর্যন্ত ধরা হলে মাসিক বিয়োগ বাড়তে পারে। তবে, এর অর্থ এই নয় যে প্রত্যেক কর্মীর বেতন থেকে ৩ হাজার টাকা পিএফ হিসেবে কাটা হবে। পিএফ এর জন্য কোন wage component ধরা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর Contributions arrangement কি, তার ওপর প্রকৃত অংক নির্ভর করবে। PF deduction বাড়লে হাতে পাওয়া বেতন কিছুটা কমতে পারে। কিন্তু সেই অতিরিক্ত অর্থ কর্মীর পিএফ সঞ্চয়েই জমা হবে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে অবসরকালীন সঞ্চয়ের পরিমান বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যোগ্য কর্মীদের জন্য পেনশন ও বীমা সুরক্ষার সুবিধাও যুক্ত হতে পারে।
সেপ্টেম্বর মাসের হিসেবেও রয়েছে বিশেষত্ব। ১ থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুরনো ১৫ হাজার টাকার ceiling এবং ১৭ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর নতুন ২৫ হাজার টাকার ceiling প্রযোজ্য হয়েছে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে। তাই পরবর্তী স্যালারি স্লিপে PF deduction এর পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। ২০১৪ সালের পর প্রায় ১২ বছর বাদে wage ceiling বদলানো হয়েছে। কেন্দ্রের যুক্তি, বর্তমান মজুরি ও formal employment-এর বাস্তবতার সঙ্গে সামাজিক সুরক্ষার ব্যবস্থাকে সামঞ্জস্য করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে, নতুন নিয়মে হাতে পাওয়া বেতন সামান্য কমলেও ভবিষ্যতের আর্থিক সুরক্ষার দিক থেকে, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
মাসের শেষে হাতে আসা বেতনের অংকে কি এবার কোনও পরিবর্তন দেখতে পাবেন চাকরিজীবীরা? অক্টোবরের বেতন স্লিপ থেকে এমন প্রশ্ন উঠতে পারে অনেকের মনে। অবসরকালীন সঞ্চয়ের খাতায় জমা পড়া টাকার হিসেবেও আসতে পারে বদল। তবে, কেন এই পরিবর্তন, কতটা প্রভাব পড়বে মাসিক বেতনে এবং কারা এর আওতায় আসবেন, তা নিয়েই এখন আলোচনা চলছে চাকরিজীবীদের মধ্যে।
চাকরিজীবীদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। Employee's Provident Fund Organizations বা EPFO এর বাধ্যতামূলক কভারেজের মজুরি সীমা মাসে ১৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। ১৭ ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, এর ফলে ৫১ লক্ষেরও বেশি অতিরিক্ত কর্মী বাধ্যতামূলক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার আওতায় আসতে পারেন। এর ফলে ১৫ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা মজুরি পাওয়া কর্মীদের একটি বড় অংশ EPF-এর পাশাপাশি Employee's Pension Scheme বা EPS এবং Employee's Deposit Linked Insurance Scheme বা EDLI এর সুবিধার আওতায় আসতে পারেন। অর্থাৎ পরিবর্তনটি শুধু PF এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
তবে, সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন উঠেছে PF কাটার অংশ নিয়ে। সাধারণ নিয়মে কর্মীর PF যোগ্য মজুরির ১২% কর্মীর কন্ট্রিবিউশনস হিসেবে জমা হয়। সেই হিসেবে পিএফ যোগ্য মজুরি ২৫ হাজার টাকা হলে কর্মীর কনট্রিবিউশনস ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। আগে ১৫ হাজার টাকার ceiling অনুযায়ী অংকটি ছিল ১৮০০ টাকা। ফলে, কোনও কর্মীর ক্ষেত্রে PF wage পুরোপুরি নতুন সীমা পর্যন্ত ধরা হলে মাসিক বিয়োগ বাড়তে পারে। তবে, এর অর্থ এই নয় যে প্রত্যেক কর্মীর বেতন থেকে ৩ হাজার টাকা পিএফ হিসেবে কাটা হবে। পিএফ এর জন্য কোন wage component ধরা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর Contributions arrangement কি, তার ওপর প্রকৃত অংক নির্ভর করবে। PF deduction বাড়লে হাতে পাওয়া বেতন কিছুটা কমতে পারে। কিন্তু সেই অতিরিক্ত অর্থ কর্মীর পিএফ সঞ্চয়েই জমা হবে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে অবসরকালীন সঞ্চয়ের পরিমান বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যোগ্য কর্মীদের জন্য পেনশন ও বীমা সুরক্ষার সুবিধাও যুক্ত হতে পারে।
সেপ্টেম্বর মাসের হিসেবেও রয়েছে বিশেষত্ব। ১ থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুরনো ১৫ হাজার টাকার ceiling এবং ১৭ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর নতুন ২৫ হাজার টাকার ceiling প্রযোজ্য হয়েছে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে। তাই পরবর্তী স্যালারি স্লিপে PF deduction এর পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। ২০১৪ সালের পর প্রায় ১২ বছর বাদে wage ceiling বদলানো হয়েছে। কেন্দ্রের যুক্তি, বর্তমান মজুরি ও formal employment-এর বাস্তবতার সঙ্গে সামাজিক সুরক্ষার ব্যবস্থাকে সামঞ্জস্য করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে, নতুন নিয়মে হাতে পাওয়া বেতন সামান্য কমলেও ভবিষ্যতের আর্থিক সুরক্ষার দিক থেকে, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
