মানচিত্র বিতর্কে চিনের সাথে টক্কর ভারতের। এব্যাপারে বেজিংকে কড়া জবাব দিয়েছে নয়া দিল্লি। অরুণাচল প্রদেশের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বা LAC সংলগ্ন ২৭টি জায়গাকে কাল্পনিক নাম দিয়ে নিজেদের দখলে আনতে চেয়েছিল চিন। এবার 'চিনের দাবি করা সেই জায়গাগুলি'ই মানচিত্রে 'স্পট' করে দিল ভারত। ওই ২৭টি জায়গা আসলে ভারতেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ,তা স্পষ্ট বোঝান হল ভারতের তরফে।
২০১৭ সাল থেকে নানাভাবে ছক খাটিয়েছে চিন। অভিযোগ উঠেছে 'প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা' বরাবর গ্রাম-গিরিপথ-হ্রদ দখল করতে চায় চিন। সীমান্ত সংলগ্ন বিভিন্ন গ্রামকে নিজেদের বলে দাবি করে তারা। এই ছকে অন্যতম অংশ হিসেবে ওই গ্রামগুলিতে কাল্পনিক নাম বসাতে শুরু করে! ঠিক তখনই ভারত সরকারের তরফে 'সার্ভে অফ ইন্ডিয়া 'একটি মানচিত্র প্রকাশ করে। সেখানে জানানো হয়-- 'চিনের দাবি একেবারেই ভিত্তিহীন এবং মিথ্যে'।
সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার;এমন কিছু গ্রাম রয়েছে, যা ১৯৬২ সালে ভারত-চিন যুদ্ধে দখল করেছিল বেজিং। পরবর্তী ক্ষেত্রে সেই গ্রামকে নিজেদের দখলে নিয়ে আসে। সেইসব স্থানগুলি ম্যাপে চিহ্নিত করে চিন সহ আন্তর্জাতিক মহলকে 'বিশেষ বার্তা' দিল নয়া দিল্লি। এমনটাই বুঝেছেন কূটনৈতিক মহল।মোট ২৭টি তালিকায় রয়েছে স্থলভাগ, গিরিপথ, হ্রদ এবং স্মৃতিসৌধ-সহ একাধিক স্থান। কোন কোন নাম রয়েছে তালিকায়, দেখে নিন একনজরে-- লঙ্গজু:স্থল,মজা:স্থল,বিসা:স্থল, জো লা: গিরিপথ,রিজা লা:গিরিপথ, পুকুর লা: গিরিপথ,
থাগ লা: গিরিপথ,শম্ভো সরোবর:হ্রদ, বড় কুণ্ডুন:স্থল,
ছোট কুণ্ডুন:স্থল,ধান বাড়ি:স্থল,প্রীতনগর:স্থল, বুদ্ধমন্দির:স্থল, জয়রামপুর:স্থল,টেরিটনগর:স্থল, রামনগর:স্থল,জসওয়ান্ত গড়: স্থল, সাগর:স্থল,পদ্ম:স্থল, জ্যোতিনগর:স্থল, বৈশাখি:স্থল,শের-ই-থাপা মেমোরিয়াল: স্মৃতিসৌধ, ছোটা রূপক:স্থল,বড় রূপক: স্থল,শিবাজী নগর —স্থল, সুনপুরা: স্থল এবং কমলাঙ্গ নগর:স্থল।