একুশে জুলাই-এর প্রস্তুতি সভায় বাঁকুড়ায় এসে মেজাজ হারালেন কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়। রীতিমতো বিজেপির বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। দোড়গোড়ায় একুশে জুলাই। তার জন্যই তৃণমূলের প্রস্তুতি তুঙ্গে। শনিবার বাঁকুড়ার তৃণমূল ভবনে একুশে জুলাই এর প্রস্তুতি সভার বৈঠক করতে আসেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও মহুয়া মৈত্র। সেখানে সাংবাদিকদের একের পর এক প্রশ্নের উত্তর দেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে শেষ মুহূর্তে গিয়ে মেজাজ হারিয়ে ফেলেন তিনি।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘পুলিশকে ব্যবহার করে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে। বলা হচ্ছে, তৃণমূল ছেড়ে চলে যাও, না হলে জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হবে। এখনও পর্যন্ত ১৪ হাজার মামলা হয়েছে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। বাঁকুড়ায় আমরা নতুন করে সংগঠন গড়ে তুলব। যারা দল ছেড়ে গিয়েছে, একসময় তাদের নেত্রী ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এখন তাদের নেতা নরেন্দ্র মোদি।’
কিন্তু পরিস্থিতি বদলে যায়, যখন সাংবাদিকরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'সেবাশ্রয়' প্রকল্পে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সেই প্রশ্নের কোনও উত্তর না দিয়ে সাংবাদিক বৈঠক ছেড়ে চলে যান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। রীতিমতো মেজাজ হারাতে দেখা যায় তাকে।
এ সময় পাশে থাকা সাংসদ মহুয়া মৈত্রও সাংবাদিকদের উদ্দেশে কটাক্ষ করে বলেন, 'গদি মিডিয়ার প্রশ্ন করা হচ্ছে।' ঘটনার পরেই তৃণমূল ভবন ছেড়ে চলে যান কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় ও মহুয়া মৈত্র।
সাংবাদিকদের প্রশ্ন এড়িয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক ছেড়ে চলে যাওয়া এবং মহুয়া মৈত্রের 'গদি মিডিয়া' মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। যদিও এখনো পর্যন্ত বিজেপি পক্ষ থেকে এই ঘটনার কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।




