মাঝ আকাশে আচমকা ঝাঁকুনি দিয়ে ৩০০ ফুট নীচে নেমে গিয়েছিল ফুকেট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। ঘটনার পর গাঁজা খেয়ে বিমান চালানোর অভিযোগ উঠেছিল। দুর্ঘটনার সময় পাইলটেরা কী করছিলেন, তাঁরা নেশাগ্রস্ত ছিলেন কি না, তা জানতে সকল পাইলটকেই মাদক পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিল এয়ার ইন্ডিয়া। সেই অনুযায়ী
আরও দু’জন পাইলট পরীক্ষার প্রাথমিক রিপোর্টে পাশ করতে পারেননি বলে খবর।
গত ৪ অগাস্ট দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ফুকেট-দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। প্রায় ৩০০ ফুট নীচে নেমে যাওয়াকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তাতে মোট ১৩৭ জন যাত্রী এবং আট জন বিমানকর্মী ছিলেন। দুর্ঘটনায় অন্তত ২১ জন চোট পান। অভিযোগ, ঘটনার সময় ককপিটে নিজের আসনে ছিলেন না পাইলট।
তিনি গাঁজা খেয়ে বিমান চালাচ্ছিলেন বলেও জানা যায়। দু’বারই তিনি ফেল করেছেন ‘ডোপ টেস্টে’। তাঁর শরীরে গাঁজার উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে বলেও অভিযোগ। শুধু গাঁজা নয় পাইলটের দেহে মেলে ঘুমের ওষুধও। এখনও পর্যন্ত জানা যাচ্ছে, প্রায় তিনশো বিমান চালকের উপরে পরীক্ষা করা হয়েছে। সেই টেস্টে ফেল করেছে দু’জন।
৪ অগস্ট ফুকেট থেকে দিল্লি ফেরার পথে AI2379 নম্বর এয়ারবাস বিমানটিতে মাঝআকাশে হঠাৎ তীব্র ঝাঁকুনি হয়। ঘটনায় যাত্রী ও ক্রু মিলিয়ে ২১ জন আহত হন। বিমানটি শেষ পর্যন্ত নিরাপদে দিল্লিতে অবতরণ করে। ঘটনার তদন্তে ইতিমধ্যেই ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার এবং ককপিক ভয়েস রেকর্ডারের তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।




