'বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন' বা 'FCRA' নিয়ে কড়া হয়েছে।কেন্দ্র সরকার। 'বাদল অধিবেশন' শুরুর আগে; এবছর এপ্রিল মাসে, বিশেষ অধিবেশনে কেন্দ্র সরকার দ্বারা '১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল' পাশ করানোর চেষ্টা হয়। তবে, সেসময় এই বিলের সপক্ষে ভোট কম পড়ে। ফলে ওই বিলটি আর পাশ হয়নি।
এবার আবার চেষ্টা করা হচ্ছে 'আসন পুনর্বিন্যাস' ও 'মহিলা সংরক্ষণ বিল'- যা সংবিধান সংশোধনীরই অংশ,সেটি পাশ করানোর। এই মুহূর্তে বিরোধীদের শিবিরে ভাঙন লেগেছে! এই সুযোগেই গুরুত্বপূর্ণ একাধিক বিল পাশ করাবে কেন্দ্র সরকার, এমনটাই জানাচ্ছে সূত্র। আজকের অধিবেশনে এই বিল পাশ করানোর চেষ্টা হবে, সূত্র মারফত আরও জানা গেছে।
একইসাথে আজকের অধিবেশনে বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনী বিল পেশ করা হবে কি না, তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে কেন্দ্র সরকার একটু চাপের মুখে রয়েছে! তার কারন, সব রাজ্যে ৫০%হারে আসন বৃদ্ধি পেলে, আসন পুনর্বিন্যাস বিলকে সমর্থন করবে ডিএমকে এবং শরদ পওয়ারের এনসিপি দল। তবে বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ বিল নিয়ে চার্চ এবং খ্রিস্টান সংগঠন গুলিকে সমর্থন জানিয়েছেন এমকে স্ট্যালিন এবং শরদ পওয়ার। এর মানে, হয় এই বিল প্রত্যাহার করতে হবে; অথবা যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পর্যালোচনাতে পাঠাতে হবে। আর তাই,সংখ্যার জোরে FCRA বিল পাস করাতে গিয়ে 'ডিএমকে' এবং 'এনসিপি'কে নারাজ করা হচ্ছে কিনা, ভেবে দেখছে সরকার।
অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে খ্রিস্টান প্রতিনিধিরা জানান- 'সরকার প্রস্তাবিত সংশোধনী অনুসারে, যেকোনও সংস্থার FCRA লাইসেন্স বাতিল হলে বা রিনিউ না হলে, ওই সংস্থার কর্তৃত্ব নিজের হাতে নিয়ে নেবে সরকার।' এই বিল পাশ হলে, বিভিন্ন সংস্থা আর্থিক অসুবিধার মুখে পড়বে। তাদের সমাজসেবামূলক কাজ ব্যাহত হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিনিধিরা। একারনেই আজ এই বিল নিয়ে বিরোধীদের বৈঠক হবে বলে জানা গেছে।