কলকাতা, নিউজ ডেস্ক: পালাবদলে পর প্রথম দুর্গাপুজো। সেই উপলক্ষ্যে শহর কলকাতাকে সাজিয়ে তুলতে চাইছে নতুন বিজেপি সরকার। সেই মতো কলকাতার চিংড়িঘাটা উড়ালপুলের রাস্তাকে রামধনুর সাত রঙে রাঙিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আর সেই রং থেকেই নাকি ওই রাস্তায় বাইক দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ ওঠে। এবার সেই বিতর্কে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে সুর চড়ালেন তৃণমূল সাংসদ কুণাল ঘোষ।
সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, উড়ালপুলের সেই নতুন রঙিন রাস্তার উপর দিয়ে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পর পর কয়েকটি মোটরসাইকেল পিছলে পড়ে যাচ্ছে। যা নিয়েই কার্যত শুরু হয়েছে বিতর্ক। রাস্তায় রং করার ফলেই কি এই দুর্ঘটনা? সেই প্রশ্ন তুলছেন বিরোধী শিবির। এরপর বৃহস্পতিবার, রং তোলার একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে কুণাল ঘোষ দাবি করেছেন, 'অবৈজ্ঞানিক বিপজ্জনক রং যদি তুলতেই হয়, তাহলে ছেলেমানুষি করে লাগালেন কেন? দুর্ঘটনার দায় কে নেবে? কাদের টাকার শ্রাদ্ধ হল? চিংড়িহাটার দুর্ঘটনার পর গড়িয়াহাটের রং তোলার ছবি থেকে যাক।
এদিকে দুর্ঘটনার বিষয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, 'একটি মোটরসাইকেল স্কিড করেছে এবং সেই মোটরসাইকেল আরেকটা মোটর সাইকেলে গিয়ে ধাক্কা মেরেছে। সেও পড়ে গিয়েছে। বিষয়টা কেন হয়েছে সেটা কিন্তু আমরা এখনও জানি না।' পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, যে রঙ ব্যবহার করা হয়েছে, সেটা সম্পূর্ণ ‘অ্যান্টি-স্কিড কালার’। এটা তেল রঙ ব্যবহার হয়নি। কিন্তু তারপরও কীভাবে চাকা স্কিড করল, সেটা ইঞ্জিনিয়াররাই বলতে পারবেন বলে জানিয়েছেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী।
ইতিমধ্যে বাইক পিছলে যাওয়ার ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েচিংড়িঘাটা উড়ালপুলে বিশেষ ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। রাতারাতি রাস্তায় বসানো হল ফাইবার ব্লক। সারারাত উড়ালপুল বন্ধ রেখে রাস্তার প্রতি ১০ মিটার অন্তর বসানো হয়েছে ফাইবার পিভার ব্লক। একই সঙ্গে রাস্তার মসৃণতাও কমানো হয়েছে। বাইক পিছলে যাওয়ার সমস্যা ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে।




