নিউজ ডেস্ক: আগামীকাল আইএফএ শিল্ড ফাইনাল । যুবভারতীতে মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান । আর সেই ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে এসে এই ম্যাচের গুরুত্ব নিয়ে মুখ খুললেন লাল-হলুদ কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। মরশুমের শুরুতে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ইস্ট-মোহন । সেই ম্যাচে কার্যত সবুজ-মেরুনের বিরুদ্ধে দাপট দেখায় আনোয়ার আলিরা । ডুরান্ড কাপ ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। এমনকি কলকাতা লিগের ডার্বিতেও লাল-হলুদের ছোটরা দাপট দেখায় ।
যদিও ডুরান্ড কাপের ফাইনাল কিংবা কলকাতা লিগের প্যারফোম্যান্স নিয়ে ভাবছেন না হাবাস । বরং তিনি যে আইএফএ শিল্ডে ফোকাস্ড ইস্টবেঙ্গল কোচ । তাই তো ম্যাচের আগের দিন শিল্ড ফাইনালে জয় কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেই নিয়ে মুখ খুললেন হাবাস । এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে লাল-হলুদ কোচ বলেন,” “আমরা ১০০ শতাংশ প্রস্তুত। আমি আমার খেলোয়াড়দের উপর বিশ্বাস করি। অবশ্যই প্রতিপক্ষকে সম্মান করি। তবে এই ম্যাচটা ডুরান্ড কাপের ফাইনালের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হবে।”
সদ্য ব্রাজিল-উরুগুয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলেছেন আনোয়ার আলি , প্রভসুখন গিল, এনমুন্ড, জয় গুপ্তারা। ফিরেছেন ক্লাব ফুটবলে । তাদের কি এই ম্যাচে দেখা যাবে । যদিও এই নিয়ে লাল-হলুডি কোচ জানান, জাতীয় দলের হয়ে সদ্য খেলে ফেরা ফুটবলারদের নিয়ে কিছুটা চিন্তায় রয়েছেন তিনি । তাঁদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বিচার করেই প্রথম একাদশ চূড়ান্ত করতে চান তিনি। এই নিয়ে হাবাস বলেন , “জাতীয় দলের হয়ে খেলার পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ফাইনালে নামতে হচ্ছে ফুটবলারদের। জাতীয় দল থেকে যারা ফিরছে, তাদের সঙ্গে আমাকে কথা বলতে হবে। ট্রেনিংয়ে দেখে বুঝতে হবে তাদের অনুভূতি কেমন। কাকে খেলানো হবে, সেটা আমাদের দেখতে হবে।”
এদিকে সামনে এএফসি-র গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। সেই ম্যাচের গুরুত্বকে মাথায় রেখেই যে আইএফএ শিল্ডের ফাইনাল ম্যাচের পরিকল্পনা চলছে, তা জানাতে ভুললেন না হাবাস । তাঁর মতে, মোহনবাগানের তুলনায় প্রস্তুতির সময়ের দিক থেকে ইস্টবেঙ্গল কিছুটা পিছিয়ে। এই নিয়ে হাবাস বলেন, “এএফসি ম্যাচ আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই কে কত মিনিট খেলবে, কাকে বেশি বা কম সময় খেলানো হবে, সেটা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। মোহনবাগানের হাতে ছয়-সাত দিন সময় ছিল, আমাদের সেই সুযোগ নেই।”তবে পরিস্থিতি কঠিন হলেও কোনও অজুহাত দিতে চান না ইস্টবেঙ্গল কোচ। এই নিয়ে হাবাস বলেন , “কোনও অজুহাত নেই। আমরা আগামীকাল খেলার জন্য প্রস্তুত। প্রতিপক্ষকে সম্মান করি। নিজেদের ফুটবল খেলতে হবে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং সুযোগ পেলে গোল করতে হবে।”
এদিকে পেনাল্টি শুটআউট নয়, ৯০ মিনিটেই জে ম্যাচ বের করতে চান হাবাস, তা জানিয়ে দেন লাল
-হলুদ কোচ । মোহনবাগানের গোলরক্ষক বিশাল কাইথের সাম্প্রতিক দুর্দান্ত পেনাল্টি সেভের প্রসঙ্গ উঠলে তিনি বলেন, টাইব্রেকারে ম্যাচ গড়ানোর কথা ভাবতেই চান না। এই নিয়ে লাল-হলুদ কোচ বলেন, “পেনাল্টি শুটআউটে ম্যাচ জেতাকে আমি বিশেষ কৃতিত্ব দিই না। আমি ৯০ মিনিটের মধ্যেই ম্যাচ জিততে চাই। ৯০ মিনিটে না জিতলে অতিরিক্ত সময়, তারপর পেনাল্টিতে যেতে হয়। আমি সেই পরিস্থিতিতে যেতে চাই না।
