বিদেশি নাগরিকদের ভারতে প্রবেশের ক্ষেত্রে ই-ভিসা ব্যবস্থাকে আরও সহজ করল কেন্দ্র। নতুন করে ১১টি আন্তর্জাতিক পোর্টকে ই-ভিসাধারীদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে একদিকে যেমন ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের আটারি স্থলবন্দর, তেমনিই রয়েছে বাংলার গেদে এবং ঘোজাডাঙা সীমান্ত। নতুন সংযোজনের ফলে ই-ভিসা নিয়ে ভারতে প্রবেশের জন্য অনুমোদিত আন্তর্জাতিক পোর্টের সংখ্যা বেড়ে হল ৮৮। এর মধ্যে ৩৭টি বিমানবন্দর, ৩৮টি সমুদ্রবন্দর এবং ১৩টি স্থলবন্দর।
তবে এই সুবিধা পাকিস্তানি নাগরিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। পাকিস্তানি পাসপোর্টধারী কিংবা পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের ভারত ই-ভিসা দেয় না। নিয়মিত ভিসার জন্য তাঁদের সংশ্লিষ্ট ভারতীয় দূতাবাস বা মিশনে আবেদন করতে হবে। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে আন্তর্জাতিক পর্যটন, ব্যবসা, চিকিৎসা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতে যাতায়াত আরও সহজ হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
নতুন করে যুক্ত হওয়া স্থলবন্দরগুলির মধ্যে রয়েছে দাররাঙ্গা, গেদে, ঘোজাডাঙা, হরিদাসপুর, জয়গাঁও, দাওকি, মোরে এবং আটারি (রোড)। পাশাপাশি ভোপাল ও তিরুপতি বিমানবন্দরকেও ই-ভিসা প্রবেশপথের তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। এর আগে রক্সৌল, রূপাইডিহা এবং জোগবনি-সহ বেশ কয়েকটি স্থলবন্দর এই সুবিধার আওতায় ছিল। বর্তমানে চিকিৎসা, পড়াশোনা, পর্যটন, ব্যবসা, ট্রানজিট, ক্রুজ, পর্বতারোহণ এবং দলগত ভ্রমণ-সহ মোট ১৭ ধরনের যাত্রীর জন্য ই-ভিসা দেওয়া হয়। প্রায় ৯৫ শতাংশ আবেদন ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রক্রিয়াকরণ করা হয়।
২০১৪ সালে ৪৩টি দেশের নাগরিকদের জন্য ই-ভিসা ব্যবস্থা চালু করেছিল ভারত। সময়ের সঙ্গে সেই পরিধি বেড়ে এখন ১৭২টি দেশের নাগরিক এই সুবিধা পান। কেন্দ্রের দাবি, নতুন পোর্টগুলি যুক্ত হওয়ায় ই-ভিসা ব্যবস্থার ব্যবহারিক সুবিধা আরও বাড়বে এবং বিদেশি পর্যটক, ব্যবসায়ী ও অন্যান্য যাত্রীদের কাছে ভারত আরও আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠবে।