অনশন মঞ্চ থেকে সোনম ওয়াংচুককে সরিয়ে সফদরজং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল যন্তর মন্তর। শনিবার অনশন মঞ্চেই ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের উপর কালি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ন্যক্কারজনক ঘটনায় পুলিশ এক মহিলাকে আটক করেছে বলে জানা গিয়েছে।
শনিবার সকালেই অভিজিৎ দীপকে ঘোষণা করেছিলেন, সোনম ওয়াংচুকের আন্দোলন থামবে না। তিনি নিজেই অনির্দিষ্টকালের জন্য আমরণ অনশনে বসবেন। পাশাপাশি সোমবার দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণ ধর্মঘট এবং দিল্লিতে ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিরও ডাক দেন তিনি। কিন্তু সেই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অনশন মঞ্চে তাঁর উপর কালি নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
প্রসঙ্গত, নিট-সংক্রান্ত বিতর্কে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে গত ২০ জুন থেকে যন্তর মন্তরে আন্দোলন শুরু করে ককরোচ জনতা পার্টি। তার সাত দিন পর আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে অনশন শুরু করেন সমাজকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। শনিবার ছিল তাঁর অনশনের ২১তম দিন।
শনিবার ভোরে সাদা পোশাকের দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তরের অনশনস্থলে পৌঁছে ওয়াংচুককে সফদরজং হাসপাতালে নিয়ে যায়। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, অভিযানের সময় অনশন মঞ্চ কাপড় দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছিল, যাতে ঘটনার ভিডিও রেকর্ড করা না যায়। অভিজিৎ দীপকের অভিযোগ, ওই অভিযানের সময় তাঁকেও মারধর করেছে দিল্লি পুলিশ। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
সফদরজং হাসপাতালের মেডিক্যাল বুলেটিনে জানানো হয়েছে, শনিবার সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে সোনম ওয়াংচুককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ অনশন এবং শরীরে জলশূন্যতার কারণে তিনি দুর্বল হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল হলেও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, নিবিড় নজরদারি এবং চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।




